kalerkantho

রবিবার । ৯ মাঘ ১৪২৮। ২৩ জানুয়ারি ২০২২। ১৯ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

খাগড়াছড়ির ৪৯ স্কুল জরাজীর্ণ

‘কখন যে ভবন ভেঙে পড়ে’

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি   

৩ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘কখন যে ভবন ভেঙে পড়ে’

খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার লক্ষ্মীমুড়া প্রকল্প সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দেয়াল থেকে খসে পড়েছে পলেস্তারা। এতে নষ্ট হয়ে গেছে ব্ল্যাকবোর্ডও। ছবি : কালের কণ্ঠ

দরজা-জানালা নেই। বৃষ্টির দিনে ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে। ছাদ থেকে খসে পড়ে পলেস্তারা। কোথাও কোথাও রড পর্যন্ত বেরিয়ে গেছে।

বিজ্ঞাপন

সম্প্রতি পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ির ৪৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঘুরে দেখা গেছে এই চিত্র। করোনার কারণে দেড় বছরের বেশি সময় স্কুলগুলো বন্ধ থাকায় আরো ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। ফলে অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন। তাই অবিলম্বে স্কুলগুলোতে নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানিয়েছে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসী।

জানা যায়, ৪৯টি স্কুলের মধ্যে ২৯টি সদ্য সরকারীকরণ হয়েছে। ১৯৬৫ সালে গুইমারা উপজেলার সিন্দুকছড়িতে গোয়াইছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। টিন আর বাঁশের বেড়া দিয়ে তৈরি তিনটি কক্ষের দুটিতে পাঠদান করা হয়। আরেকটিতে অফিস কক্ষ। জায়গা না থাকায় তিনটির শ্রেণির পাঠদান চলে বারান্দা বা খোলা আকাশের নিচে। পঞ্চম শ্রেণির পাঠদান করা হয় পাশের ইউনিসেফ পাড়াকেন্দ্রে।

সদর উপজেলার লক্ষ্মীমুড়া প্রকল্প সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রঞ্জনমনি কার্বারিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েরও একই অবস্থা। লক্ষ্মীমুড়া স্কুলের ভবনটি ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ায় কর্তৃপক্ষ পরিত্যক্ত ঘোষণা করেছে।

অভিভাবক কৃতিময় ত্রিপুরা বলেন, ‘আমার দুই ছেলে-মেয়ে স্কুলে আসতে ভয় পায়। কখন যে ভবনটি ভেঙে পড়ে, এই আশঙ্কা আছে। ’ 

রঞ্জনমনি কার্বারিপাড়া স্কুলের প্রধান শিক্ষক ধনা চন্দ্র সেন জানান, বৃষ্টিতে পানি চুইয়ে পড়ায় শ্রেণির কার্যক্রম চালাতে খুবই সমস্যা হয়। এ সময় নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানান তিনি। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফাতেমা মেহের ইয়াসমিন জানান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।



সাতদিনের সেরা