kalerkantho

শনিবার ।  ২১ মে ২০২২ । ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৯ শাওয়াল ১৪৪৩  

ওয়ার্ড কাউন্সিলর উপনির্বাচন ঘিরে এলাকায় আতঙ্ক

চসিকের দুই প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

৩ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) চকবাজার ওয়ার্ডের নির্বাচন উপলক্ষে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এলাকায়। আগামী বৃহস্পতিবার ওই ওয়ার্ডের উপনির্বাচনের দিন ধার্য রয়েছে। ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সাইয়্যেদ গোলাম হায়দার মিন্টুর মৃত্যুর পর কাউন্সিলর পদ শূন্য হয়। নির্বাচনে মোট ২১ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

বিজ্ঞাপন

এর মধ্যে ক্ষমতাসীন দলেরই ২০ জন।

অভিযোগ পাওয়া গেছে, আগামী বৃহস্পতিবারের নির্বাচন ঘিরে দুজন প্রার্থীর সমর্থক এলাকায় বেশ আতঙ্ক ছড়াচ্ছেন। তাঁরা হলেন নূর মোস্তফা টিনু ও আব্দুর রউফ। এর মধ্যে সন্ত্রাসী তৎপরতায় জড়িত থাকার অভিযোগে টিনু বর্তমানে কারাবন্দি। অন্যজনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা রয়েছে।

সন্ত্রাসী গোষ্ঠী লালন-পালন ও কিশোর গ্যাং তৈরির অভিযোগ রয়েছে টিনুর বিরুদ্ধে। নির্বাচনে জয়ী হতে কারাগার থেকে কিশোর গ্যাং সদস্য ও তাঁর অনুগত বাহিনীকে বার্তা পাঠাচ্ছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। চকবাজারের মেডিক্যাল হোস্টেলের কাছে একটি এলাকায় প্রচারণা চালানোর সময় একদল সন্ত্রাসীর শলাপরামর্শের তথ্য পাওয়া যায়। জানা যায়, তারা সবাই টিনুর নির্বাচনী প্রতীক মিষ্টি কুমড়ার সমর্থক।

অন্যদিকে আব্দুর রউফের বিরুদ্ধেও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে কিশোর গ্যাংকে মদদ, চট্টগ্রাম কলেজ নিয়ন্ত্রণের নামে সহিংসতা সৃষ্টি ও অস্ত্রবাজির অভিযোগ রয়েছে। রউফ নির্বাচনে ‘ব্যাডমিন্টন র‌্যাকেট’ প্রতীকে লড়ছেন।

এদিকে নির্বাচন ঘিরে ওয়ার্ড, থানা ও চট্টগ্রাম ছাত্রলীগের তিনটি পক্ষ বিভিন্ন প্রার্থীর পক্ষে-বিপক্ষে সক্রিয় অবস্থান নিয়েছে। এর মধ্যে টিনুর পক্ষ নিয়েছেন ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি ইভান, চকবাজার থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জি এম তৌসিফ এবং চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সবুজ মল্লিক।

ওয়ার্ডের জয়নগর এলাকার বাসিন্দা আকবর আলী বলেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চাই। কিন্তু নির্বাচনী প্রচারে সক্রিয় বেশির ভাগই বহিতরাগত ও স্থানীয় সন্ত্রাসী। তাদের দেখে ভোটারদের আতঙ্ক বাড়ছে। ’ নিরাপত্তার আশঙ্কায় অনেকেই এই দুই প্রার্থীর বিরুদ্ধে মুখ খুলছেন না।   

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (দক্ষিণ) বিজয় বসাক কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘নির্বাচনে সব প্রার্থীকেই আইনের চোখে সমানভাবে দেখা হবে। কোনো প্রার্থী যদি সন্ত্রাসী কাজে জড়িত হন, তাহলে আইনের আওতায় আনা হবে। ’



সাতদিনের সেরা