kalerkantho

রবিবার । ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ২৮ নভেম্বর ২০২১। ২২ রবিউস সানি ১৪৪৩

ওয়েবিনারে প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা

কুইক রেন্টালকে নো পেমেন্ট নো ইলেকট্রিসিটি হিসেবে রাখতে চাই

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘এখন আমাদের বিদ্যুতের চাহিদা কম। গরমের সময় সর্বোচ্চ চাহিদা কত তার ওপর নির্ভর করে ক্যাপাসিটি রাখতে হবে। সেই হিসেবে এখন আমাদের ২০ হাজার মেগাওয়াটের ক্যাপাসিটি থাকা দরকার। জ্বালানির বিষয়টিও চিন্তায় রাখতে হবে। এ কারণেই রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল বিদ্যুেকন্দ্রকে আমরা নো পেমেন্ট নো ইলেকট্রিসিটি হিসেবে রাখতে চাই।’

গতকাল সোমবার ‘কুইক রেন্টাল : অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ’ বিষয়ে এক ওয়েবিনারে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী। বাংলাদেশ ইনডিপেনডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসার অ্যাসোসিয়েশনের (বিপপা) সহযোগিতায় ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স অব বাংলাদেশ (এফইআরবি) আয়োজিত ওয়েবিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির গবেষক গোলাম মোয়াজ্জেম।

ড. তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী বলেন, ‘বড় বড় প্রকল্প হচ্ছে। স্পেশাল ইপিজেড হচ্ছে। বিদ্যুতের এখন যে চাহিদা, সেটার বেশির ভাগই বাসাবাড়ির। কিন্তু সামনে শিল্পের চাহিদা বাড়বে।’

পিডিবির সদস্য মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘এখন দেশে যে রেন্টাল বিদ্যুেকন্দ্র আছে, তা থেকে ২৭৪ মেগাওয়াট এবং কুইক রেন্টাল থেকে ৩৯৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাচ্ছি। এই কেন্দ্রগুলোর ২০২৪ সালে অবসরে যাওয়ার কথা; কিন্তু কোনো ক্যাপাসিটি কস্ট ছাড়া যদি এগুলো রেখে দেওয়া যায়, তাহলে সরকার লাভবান হবে।’

তিনি বলেন, ‘রেন্টালগুলো সব গ্যাসভিত্তিক। কুইক রেন্টালের কিছু গ্যাস, কিছু ফার্নেস অয়েল চালিত। যেহেতু এখন জ্বালানি আমদানি করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে হচ্ছে, সেই হিসেবে এই বিদ্যুতের দাম কম পড়বে। জরুরি প্রয়োজনের সময় কেন্দ্রগুলো কাজে আসতে পারে।’

পিডিবির চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘এখন যে ২২ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের পরিকল্পনা করেছি, সেই তুলনায় ১৪ হাজার মেগাওয়াট কিন্তু বেশি নয়। প্রতি ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের জন্য কমপক্ষে ১০০ মেগাওয়াট উৎপাদনের ক্ষমতা থাকতে হবে। সেই হিসেবে রিজার্ভ বিদ্যুৎ কম।’

এফইআরবির নির্বাহী পরিচালক শামীম জাহাঙ্গীরের সঞ্চালনায় ওয়েবিনারে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন, বিপপার সভাপতি ইমরান করিম, সহসভাপতি নাভিদুল হক ও এফইআরবির চেয়ারম্যান অরুন কর্মকার।



সাতদিনের সেরা