kalerkantho

রবিবার । ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ২৮ নভেম্বর ২০২১। ২২ রবিউস সানি ১৪৪৩

নগরে কম, উপজেলা পর্যায়ে সাড়া বেশি

সিলেটে গণটিকার প্রথম দিন

সিলেট অফিস   

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে সারা দেশের মতো সিলেটেও গণটিকা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সিলেট নগরের ৮২টি এবং উপজেলা পর্যায়ে ৩০৩টি কেন্দ্রের মাধ্যমে এই কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথম দিনে উপজেলা পর্যায়ে আশানুরূপ টিকাগ্রহীতার উপস্থিতি থাকলেও সিটি করপোরেশন এলাকায় তা কম দেখা গেছে। তবে আজ শেষ দিনে টিকাগ্রহীতার সংখ্যা বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

গতকাল নগরের বিভিন্ন টিকাকেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেছে, বেশির ভাগ কেন্দ্রে টিকাগ্রহীতাদের উপস্থিতি কিছুটা কম। তবে কিছু কিছু কেন্দ্রে ছিল উপচে পড়া উপস্থিতি। সিলেট নগরের কালীবাড়ী করেরপাড়া এলাকার সিটি মডেল স্কুল টিকাকেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেছে, মানুষের সারি সারি লাইন। সেখানে টিকা দিতে আসা মলয় দেব বলেন, ‘সকালে মাকে নিয়ে টিকা দিতে এসেছিলাম। লাইনে মানুষ থাকায় বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়েছে।’ নগরের দাড়িয়াপাড়া এলাকার রসময় মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় টিকাকেন্দ্রে গিয়েও টিকাগ্রহীতাদের ভিড় দেখা গেছে। তবে সব কেন্দ্রের অবস্থা এ রকম ছিল না। কোনো কোনো কেন্দ্রে রেজিস্ট্রেশনে সমস্যা এবং রেজিস্ট্রেশন কার্ড স্ক্যানিংয়ে সমস্যা চোখে পড়েছে।

সিলেট সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, সিটি করপোরেশন এলাকায় ৮২টি টিকাকেন্দ্রের মাধ্যমে মোট ২১ হাজার ৮৯৯ জনকে টিকা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ওয়ার্ডভিত্তিক ১৯ হাজার ৩৮৯ জনকে এবং সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও সিলেট পুলিশ লাইনস হাসপাতালের মাধ্যমে আরো দুই হাজার ৫১০ জনকে টিকা দেওয়া হয়েছে।

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘প্রত্যাশা অনুযায়ী টিকা দেওয়া যায়নি। উপস্থিতি কিছুটা কম ছিল।’ তিনি বলেন, ‘আমরা ২৪ হাজারেরও বেশি মানুষকে খুদে বার্তা পাঠিয়েছি। কিন্তু টিকা নিয়েছেন ২১ হাজার ৮৯৯ জন।’ উপস্থিতি কম হওয়ার কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘সিনোফার্মের টিকা হওয়ার কারণে অনেকে আগ্রহ কম দেখিয়েছেন।’ অনেক কেন্দ্রে স্ক্যানিংয়ে সমস্যাসহ কারিগরি সমস্যার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, ‘কারিগরি কিছু সমস্যার কারণে রেজিস্ট্রেশনেরও কিছুটা সমস্যা হয়েছে। তবে আমরা জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে অনেকের টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি। পরে তাঁদের রেজিস্ট্রেশন নিশ্চিত করা হয়েছে।’

সিলেটের সহকারী সিভিল সার্জন ডা. জন্মেজয় দত্ত কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘সিটি করপোরেশন এলাকায় টিকা গ্রহণ প্রত্যাশার তুলনায় কিছুটা কম হলেও উপজেলা পর্যায়ে ভালো সাড়া পাওয়া গেছে। ৩০৩টি টিকাকেন্দ্রেই উপস্থিতি লক্ষণীয় ছিল।’



সাতদিনের সেরা