kalerkantho

শনিবার । ৩১ আশ্বিন ১৪২৮। ১৬ অক্টোবর ২০২১। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

মৃত্যুর পর গিনেস বুকে সেই রানী

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মৃত্যুর পর গিনেস বুকে সেই রানী

মৃত্যুর ৪০ দিন পর অবশেষে বিশ্বের সবচেয়ে খর্বাকৃতির গরু হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে ‘রানী’। সাভারের আশুলিয়ার শেকড় অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপক মো. আবু সুফিয়ান গতকাল মঙ্গলবার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত সোমবার বিকেলে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড কর্তৃপক্ষ ই-মেইলের মাধ্যমে বিষয়টি জানায়।

উল্লেখ্য, ১১ মাস আগে নওগাঁর প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে রানীকে আনা হয়েছিল আশুলিয়ার খামারে। গত ঈদে খর্বাকৃতির গরু হিসেবে আলোচনায় আসে রানী। ভুট্টি জাতের ওই গরুর উচ্চতা ছিল ২৪.৭ ইঞ্চি, দৈর্ঘ্য ২৬ ইঞ্চি এবং ওজন ২৬ কেজি। ২০১৯ সালের ৭ আগস্ট জন্ম নেওয়া রানী মারা যায় গত ১৯ আগস্ট।

শেকড় অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপক আবু সুফিয়ান বলেন, ‘গিনেস বুক কর্তৃপক্ষের কাছে আমরা রানীর পোস্টমর্টেম রিপোর্ট পাঠিয়েছিলাম। ওরা মূলত দেখেছে, আমরা হরমোন জাতীয় ইনজেকশন পুশ করে ‘রানীকে’ বামন করেছিলাম কি না? কিন্তু এ ধরনের কোনো কিছু তারা প্রতিবেদনে পায়নি। তিন দিন আগে ওরা রানীকে বিশ্বের সবচেয়ে ছোট গরুর স্বীকৃতি দিয়েছে। কিন্তু ওদের প্রক্রিয়ার কারণে বিলম্বে সোমবার আমাদের ই-মেইল করেছে।’

আবু সুফিয়ান আরো বলেন, ‘রানী আমাদের সবার অনেক আদরের ছিল।

প্রাণী হলেও রানীকে আমরা পরিবারের একজন করে নিয়েছিলাম। কিন্তু গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ডে যখন রানীর নাম উঠতে আর কিছুদিন বাকি, তখন আমরা রানীকে হারিয়েছি। রানীর মৃত্যু কোনোভাবেই ওই সময় মেনে নিতে পারিনি। অবশেষে গিনেস বুক কর্তৃপক্ষ তাদের প্রসিডিউর অনুযায়ীই রানীকে বিশ্বের সবচেয়ে ছোট গরুর স্বীকৃতি দিয়েছে। আমরা আনন্দিত। তবে রানী বেঁচে থাকলে এই আনন্দের মাত্রা কয়েক গুণ বেড়ে যেত।’



সাতদিনের সেরা