kalerkantho

শনিবার । ১২ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ২৭ নভেম্বর ২০২১। ২১ রবিউস সানি ১৪৪৩

বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস আজ

১০ বছরে মৃত্যু কমেছে ৯৯%

২১ লাখ কুকুরকে টিকা দেওয়ায় মিলছে সফলতা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দেশে কুকুর-বিড়ালের কামড়ের ঘটনা ১০ বছরের ব্যবধানে বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি। তবে সে তুলনায় মৃত্যু কমেছে প্রায় ৯৯ শতাংশ। এ ক্ষেত্রে একদিকে আক্রান্ত মানুষকে দ্রুত সময়ের মধ্যে জলাতঙ্কের টিকা এবং অন্যদিকে মানুষকে জলাতঙ্ক থেকে রক্ষায় আগাম কুকুরের মধ্যে টিকাদান কার্যক্রমের সফলতা মিলেছে বলে দাবি করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে ২০৩০ সালের মধ্যে দেশকে জলাতঙ্ক মুক্ত করার অঙ্গীকার রয়েছে বাংলাদেশের। সে লক্ষ্যে এখন চলছে কার্যক্রম। এর মাধ্যমে ১০ বছর আগে যেখানে বছরে জলাতঙ্কে মৃত্যু ছিল দুই হাজারের কাছাকাছি, তা গেল বছর নেমে এসেছে ৩০ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ২০১২ সালে দেশে জলাতঙ্ক ছড়াতে পারে, এমন প্রাণীর কামড়ের পর আক্রান্ত দেড় লাখ মানুষকে জলাতঙ্কের টিকা দেওয়া হয়, যা ২০১৯ সালে দেওয়া হয়েছে দুই লাখ ৫৩ হাজার ৮৬১ জনকে। অন্যদিকে জলাতঙ্ক বিস্তার ঠেকাতে সারা দেশে এ পর্যন্ত ২১ লাখ ৩৮ হাজার ৬৩৯টি কুকুরকে জলাতঙ্ক প্রতিরোধী টিকা দেওয়া হয়েছে। টিকা দেওয়ার পর এসব কুকুর কামড় দিলেও মানুষ বা অন্য কোনো প্রাণীর মধ্যে জলাতঙ্কের জন্য দায়ী র‌্যাবিস ভাইরাস সংক্রমিত হবে না। এমন প্রেক্ষাপটে আজ মঙ্গলবার দেশে পালিত হচ্ছে বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস।

জলাতঙ্কের টিকা আবিষ্কারক বিজ্ঞানী লুই পাস্তুরের মৃত্যু দিবস উপলক্ষে ২০০৭ সাল থেকে প্রতিবছর ২৮ সেপ্টেম্বর এই রোগের ভয়াবহতা অনুধাবন ও জনসচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘জলাতঙ্ক : ভয় নয়, সচেতনতায় জয়’।

বিশেষজ্ঞরা জানান, র‌্যাবিস ভাইরাসের মাধ্যমে সংক্রমিত জলাতঙ্ক রোগটির প্রধান বাহক কুকুর। এ ছাড়া বিড়াল, শিয়াল, বেজি, বানরের মাধ্যমে রোগটি ছড়াতে পারে। রোগের লক্ষণ একবার প্রকাশ পেলে মৃত্যু নিশ্চিত। তবে কামড় বা আঁচড়ের সঙ্গে সঙ্গে আক্রান্ত স্থান সাবান পানি দিয়ে ধুয়ে পূর্ণ ডোজ টিকা গ্রহণের মাধ্যমে রোগটি শতভাগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

দিবসটি উপলক্ষে সরকারি ও বেসরকারিভাবে দেশজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্র্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী দিবসটি উপলক্ষে বিশেষ বাণী দিয়েছেন।



সাতদিনের সেরা