kalerkantho

শনিবার । ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৪ ডিসেম্বর ২০২১। ২৮ রবিউস সানি ১৪৪৩

সরকারি কর্মচারীদের গ্রেপ্তারে পূর্বানুমতি কেন অবৈধ নয়

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সরকারি কর্মচারীদের গ্রেপ্তারে সরকারের পূর্বানুমতি নেওয়ার বিধান কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। গতকাল রবিবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেন।

গত ২৩ আগস্ট ফৌজদারি মামলার আসামি কুড়িগ্রামের সাবেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোছা. সুলতানা পারভীনসহ চারজনের পোস্টিংয়ের বৈধতা নিয়ে করা এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই রুল জারি করেন আদালত। কুড়িগ্রামের সাংবাদিক মো. আরিফুল ইসলাম রিটটি দায়ের করেন। রিটে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সচিব ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সচিবসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিবাদী করা হয়।

সরকারি কর্মচারীদের গ্রেপ্তারে সরকারের পূর্বানুমতি নেওয়ার বিষয়টি ছাড়াও একই সঙ্গে হাইকোর্টের এই বেঞ্চ সংশ্লিষ্ট আরো কয়েকটি বিষয়ে রুল জারি করেন।

ফৌজদারি মামলার আসামি হওয়ার পরও কুড়িগ্রামের তৎকালীন জেলা প্রশাসক মোছা. সুলতানা পারভীন, সহকারী কমিশনার রিন্টু বিকাশ চাকমা ও সিনিয়র সহকারী কমিশনার নাজিম উদ্দিনকে পোস্টিং দেওয়া থেকে বিরত থাকতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়েও রুল জারি করা হয়েছে। এ ছাড়া এনডিসি এস এম রাহাতুল ইসলামকে বরিশালে সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে পোস্টিং দেওয়া কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা-ও জানতে চাওয়া হয়েছে। চার সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান দুলু ও অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান।

রিটকারীর আইনজীবীরা বলেন, ওই চার সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা চলমান রয়েছে। সে মামলায় তাঁরা এখনো জামিন নেননি। ফলে আইনের দৃষ্টিতে তাঁরা এখনো পলাতক। অথচ তাঁরা ফৌজদারি মামলার আসামি হওয়া সত্ত্বেও তাঁদের বরখাস্ত না করে একজনকে পোস্টিং দেওয়া হয়েছে এবং অন্য তিনজনকে পোস্টিংয়ের চেষ্টা চলছে, যা আইনবহির্ভূত। তাই একজনের পোস্টিংয়ের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে এবং মামলার তিন আসামিকে যেন পোস্টিং দেওয়া না হয় সে জন্য হাইকোর্টে রিট করা হয়।



সাতদিনের সেরা