kalerkantho

শনিবার । ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৪ ডিসেম্বর ২০২১। ২৮ রবিউস সানি ১৪৪৩

‘গ্রন্থাগার খোলায় খুব ভালো লাগছে’

দেড় বছর পর খুলল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি    

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘গ্রন্থাগার খোলায় খুব ভালো লাগছে’

করোনার কারণে দেড় বছর বন্ধ থাকার পর গতকাল খুলেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার। ছবি : কালের কণ্ঠ

সকাল ১০টায় ফটক খোলার সময় নির্দিষ্ট ছিল। তবে এর অনেক আগে থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে শিক্ষার্থীদের লম্বা সারি পড়ে যায়। গতকাল রবিবারের চিত্র এটি।

দেড় বছর বন্ধ থাকার পর গতকাল খুলে দেওয়া হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ও সায়েন্স গ্রন্থাগার। তবে এদিন নিয়মিত শিক্ষার্থীদের তুলনায় চাকরিপ্রত্যাশীদের ভিড় ছিল বেশি। সায়েন্স গ্রন্থাগারে ঢোকা নিয়ে চাকরিপ্রত্যাশীদের সঙ্গে কর্তৃপক্ষের বাগবিতণ্ডার ঘটনাও ঘটে।

জানা গেছে, ছুটির দিন বাদে সপ্তাহে পাঁচ দিন গ্রন্থাগার ও সেমিনারগুলো সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। প্রথম পর্যায়ে শুধু স্নাতক চতুর্থ বর্ষ ও স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থীরা গ্রন্থাগারে ঢোকার সুযোগ পাচ্ছেন। ধাপে ধাপে অন্য বর্ষের শিক্ষার্থীদেরও সুযোগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

চতুর্থ বর্ষ ও স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য আগামী ৫ অক্টোবর সকাল ৮টা থেকে খুলে দেওয়া হবে আবাসিক হলও।

গ্রন্থাগারে প্রবেশের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি মানার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈধ পরিচয়পত্র এবং অন্তত এক ডোজ টিকা গ্রহণের প্রমাণপত্র দেখাতে হয় শিক্ষার্থীদের। ঢোকার সময় শিক্ষার্থীদের দেওয়া হয় শতবর্ষের লোগোসংবলিত একটি করে মাস্ক।

তবে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে প্রবেশে নিয়ম মানা হলেও সায়েন্স গ্রন্থাগারে বিশৃঙ্খলা দেখা যায়। নিয়মিত শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি চাকরিপ্রত্যাশী শিক্ষার্থীরা ভেতরে ঢুকতে চাইলে কর্মচারীরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম গোলাম রব্বানীর নেতৃত্বে সহকারী প্রক্টররা সেখানে এলে তাঁদের সঙ্গেও কথা-কাটাকাটি হয়। জোর করেই গ্রন্থাগারে প্রবেশ করেন চাকরিপ্রত্যাশীরা। কয়েকজন কর্মচারীকে তাঁরা ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। পরে প্রক্টরের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

গ্রন্থাগারে পড়তে আসা ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী সাকিবুর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘অনেক দিন পর হলেও লাইব্রেরি খুলেছে। খুবই ভালো লাগছে। লাইব্রেরিতে পড়াশোনার পরিবেশ অনেক ভালো। এই কারণে এখানে পড়তে এসেছি। তবে চাওয়া থাকবে সময়টা যাতে আরেকটু বাড়িয়ে দেওয়া হয়।’

সার্বিক বিষয়ে প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী বলেন, ‘কেবল নিয়মিত শিক্ষার্থীদের প্রবেশের কথা থাকলেও চাকরিপ্রত্যাশী সাবেক শিক্ষার্থীরাও গ্রন্থাগারে প্রবেশ করছে। শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার কথা ভেবেই স্বাস্থ্যবিধি মানতে বলা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের অসহযোগিতা দুঃখজনক মন্তব্য করে তিনি বলে, শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সবাইকে অনুরোধ জানানো হচ্ছে।’



সাতদিনের সেরা