kalerkantho

বুধবার । ৪ কার্তিক ১৪২৮। ২০ অক্টোবর ২০২১। ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ এপেক্সের, প্রতিবেদকের বক্তব্য

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



গত ৮ সেপ্টেম্বর কালের কণ্ঠ’র শেষ পৃষ্ঠায় প্রকাশিত ‘প্রণোদনায় নয়ছয়, শতভাগ রপ্তানি না করেও নগদ সহায়তা ঘরে’ শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেড। দেশীয় উৎস থেকে কাঁচামাল সংগ্রহের নির্দেশনা না মানার বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, ‘বিদেশি ক্রেতাদের শর্ত পরিপালন সাপেক্ষে যেহেতু আমাদের পণ্য রপ্তানি করতে হয় এবং বাংলাদেশের কাঁচামাল যেহেতু পরিবেশবান্ধব উপায়ে প্রস্তুত হয় না এবং এর উৎস সঠিকভাবে এলডাব্লিউজির শর্তানুযায়ী নির্ণয় করা যায় না, সেহেতু আমাদেরকে বিদেশ থেকে ওয়েট ব্লু লেদার (কাঁচামাল) আমদানি করতে হয়। পরবর্তীতে আমদানীকৃত ওয়েট ব্লু আমাদের নিজস্ব ট্যানারি ইউনিটে প্রক্রিয়াজাত করে ক্রাস্ট চামড়া এবং ক্রাস্ট থেকে ফিনিশড লেদার তৈরি করে জুতা উৎপাদন ও রপ্তানি করি। এই প্রক্রিয়ায় আমরা বাংলাদেশে ৭০ ভাগের বেশি মূল্য সংযোজন করতে পারি।’

শতভাগ রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিবন্ধন নিলেও শতভাগ রপ্তানি না করে নগদ সহায়তা নেওয়ার ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, ‘এপেক্স ফুটওয়্যার শুরুতে শতভাগ রপ্তানিমুখী ব্যবসায় নিয়োজিত থাকলেও পরবর্তীতে এনবিআর ও বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষসহ সকলের অনুমোদন সাপেক্ষে, সকল নিয়ন্ত্রণ সংস্থাকে জানিয়ে, পত্রিকা ও আমাদের বার্ষিক বিবরণীতে পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করে রপ্তানির সব নিয়ম মেনেই সরকারের নগদ সহায়তা গ্রহণ করে আসছে।’

প্রতিবাদপত্রে প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, ‘রপ্তানি ইউনিটে (এপেক্স ফুটওয়্যার ইউনিট-১) তৈরি হওয়া জুতা স্থানীয় বাজারে বিক্রির সুযোগ নেই। ভেনচারিনি ব্র্যান্ড এপেক্সের নিজস্ব ব্র্যান্ড। এই ব্র্যান্ডের জুতা সব রকম নিয়ম-কানুন মেনে বিদেশে বা দেশে বিক্রয়ের ক্ষেত্রে কোনো রকম আইনের ব্যত্যয় ঘটেনি। ভারতে যে জুতা রপ্তানি করা হয়েছিল, তা রপ্তানি ইউনিটের মাধ্যমে তৈরি ও রপ্তানি করা হয়েছিল। স্থানীয় বাজারে ভেনচারিনি ব্র্যান্ড নামে যে জুতা বিক্রি করা হয়, সেটি শুধুমাত্র স্থানীয় ইউনিটেই (এপেক্স ফুটওয়্যার ইউনিট-২) তৈরি। যেহেতু ভেনচারিনি ব্র্যান্ডের মালিক এপেক্স, সে ক্ষেত্রে ব্র্যান্ড নেম হিসেবে যেকোনো জায়গায় ব্যবহার করা যায়।’

এতে আরো বলা হয়, ‘নেপালে ভেনচারিনি নামে যে ফ্র্যাঞ্চাইজি আউটলেট খোলা হয়েছিল, সেটি ফ্র্যাঞ্চাইজি পদ্ধতিতে খোলা হয়েছে এবং এপেক্স-এর সরাসরি বিনিয়োগ করা হয়নি। যেহেতু ভেনচারিনি ব্র্যান্ড এপেক্সের একটি ব্র্যান্ড, সেই কারণে নেপালি ফ্র্যাঞ্চাইজির অনুরোধে এর চেয়ারম্যান এই ফ্র্যাঞ্চাইজি আউটলেট অনলাইনে উদ্বোধন করেন।’

প্রতিবেদকের বক্তব্য : সিএজির আওতাধীন সিভিল অডিট অধিদপ্তরের অডিট ইন্সপেকশন রিপোর্ট ও কালের কণ্ঠ’র দীর্ঘ অনুসন্ধানের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি করা হয়েছে। এসংক্রান্ত সব নথি কালের কণ্ঠ’র কাছে সংরক্ষিত আছে।



সাতদিনের সেরা