kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১২ কার্তিক ১৪২৮। ২৮ অক্টোবর ২০২১। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

উন্নয়ন ও নেতৃত্বের প্রশংসায় জাতিসংঘ

শেখ হাসিনা-গুতেরেস বৈঠক

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



উন্নয়ন ও নেতৃত্বের প্রশংসায় জাতিসংঘ

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গত রাতে ভাষণ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর আগে নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সংস্থাটির মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে বৈঠক করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। ছবি : পিআইডি

বাংলাদেশের বিস্ময়কর উন্নয়ন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ ও দূরদর্শী নেতৃত্বের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। তিনি গতকাল শুক্রবার ভোরে নিউ ইয়র্কে (নিউ ইয়র্ক সময় বৃহস্পতিবার বিকেলে) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এই প্রশংসা করেন।

জাতিসংঘ মহাসচিবের দপ্তর জানায়, মহাসচিব টেকসই উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন ও বহুপক্ষবাদের প্রতি বাংলাদেশের নেতৃত্বের প্রশংসা করেছেন। জাতিসংঘ মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে মূল্যবান ভূমিকাসহ বাংলাদেশ ও জাতিসংঘের মধ্যে সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করেছেন।

বাসস জানায়, জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন সাংবাদিকদের ব্রিফ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসকে স্বাগত জানান।

জাতিসংঘ বাংলাদেশের অগ্রাধিকারগুলোকে গুরুত্ব দেয় উল্লেখ করে মহাসচিব প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন এবং টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের মতো বাংলাদেশের অগ্রাধিকারগুলো জাতিসংঘেরও অগ্রাধিকার।

শেখ হাসিনা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের উচ্চ পদে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর আরো বেশি সদস্য নিযুক্ত করতে মহাসচিবের প্রতি আহবান  জানান। প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে জাতিসংঘের সাড়া দেওয়ার ব্যাপারে জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গুতেরেস এই আহবান কে ইতিবাচক হিসেবে দেখেছেন। জাতিসংঘ মহাসচিব এটিকে ন্যায্য মনে করেন ও বাংলাদেশের জন্য আরো কিছু করতে চান। জাতিসংঘ মহাসচিব এ ব্যাপারে বাংলাদেশের সুনাম এবং শান্তিরক্ষা মিশনে এ দেশের সাফল্যের গল্প আছে বলে উল্লেখ করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, একটি গতিশীল অর্থনীতির দেশ বাংলাদেশকে জাতিসংঘ ‘রোল মডেল’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। জাতিসংঘ মহাসচিব গুতেরেস বাংলাদেশের সার্বিক অর্জনের ব্যাপারে  দেশের নেতৃত্বের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন।

জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ সদর দপ্তরে নেদারল্যান্ডসের রানি ম্যাক্সিমা, ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট নুয়েন জুয়ান ফুক এবং মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহাম্মাদ সলিহর সঙ্গেও বৈঠক করেন। রানি ম্যাক্সিমার সঙ্গে বৈঠকে শেখ হাসিনা বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ক্ষয়ক্ষতি সামলাতে তাঁর সরকার ইনস্যুরেন্সব্যবস্থা চালু করার চিন্তা-ভাবনা করছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহাম্মদ সলিহর সঙ্গে বৈঠকের ব্যাপারে ড. মোমেন বলেন, মালে ও চট্টগ্রামের মধ্যে বাণিজ্যিক জাহাজ চালু করার ব্যাপারে উভয় দেশ কাজ করছে।

ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট জুয়ান ফুকের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ জন্মভূমিতে ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষকে চাপ দিতে ফুককে অনুরোধ জানান।



সাতদিনের সেরা