kalerkantho

সোমবার । ৯ কার্তিক ১৪২৮। ২৫ অক্টোবর ২০২১। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

সৌদিফেরত নারীকে আটকে রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

পৃথক স্থানে নিপীড়নের অভিযোগে গ্রেপ্তার ২

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হবিগঞ্জের মাধবপুরে সৌদি আরব ফেরত এক নারীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বাসায় আটকে রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত বুধবার বিকেলের এ ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার ভোররাতে ধর্ষণে সহায়তায় অভিযুক্ত বাসার মালিকসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

এ ছাড়া নওগাঁ ও পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে দুই শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে দুজনকে আটক করা হয়েছে।

মাধবপুরের ঘটনায় বুধবার রাতে থানায় অভিযোগে দেওয়ার পর চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গতকাল বিকেলে তাঁদের আদালতের মাধ্যমে হবিগঞ্জ কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাঁরা হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার এক্তিয়ারপুর গ্রামের আক্কাস মিয়ার ছেলে আতিক মিয়া (২৬), মাধবপুর উপজেলার পূর্ব মাধবপুর গ্রামের ছোয়াব মিয়ার ছেলে জীবন মিয়া (২৬), একই গ্রামের ইদ্রিস মিয়ার ছেলে বাদশা মিয়া (২৭) ও পৌর এলাকার কাটিয়ারা গ্রামের বাসিন্দা মাহমুদ মিয়ার স্ত্রী লাকী বেগম (৩৫)। আতিক মিয়া সন্ধ্যায় হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিনা বেগমের আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। লাকী ঘটনাস্থল বাসার মালিক।

মামলা সূত্রে মাধবপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মাঈন উদ্দিন বলেন, বুধবার বিকেলে মাধবপুরের সৌদিফেরত নারীকে আতিক মিয়া বিয়ের কথা বলে লাকী বেগমের বাসায় নিয়ে আটকে রাখেন। সেখানে আতিক ও তাঁর দুই বন্ধু ওই নারীকে ধর্ষণ করেন।

নওগাঁর চণ্ডীপুর ইউনিয়নের গাঁংজোয়ার এলাকায় গত রবিবার বিকেলে সাড়ে পাঁচ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে তসলিম উদ্দিন (৪৫) নামের এক নৈশ প্রহরীকে বুধবার সন্ধ্যায় স্থানীয়দের সহায়তায় আটক করে সদর মডেল থানার পুলিশ।

পিরোজপুরের ইন্দুরকানীর সাউথখালী চরে বুধবার সকালে এক শিশু শিক্ষার্থীকে (৮) ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মোতালেব (৬৩) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে দেয় স্থানীয়রা। ইন্দুরকানী থানার ওসি মো. হুমায়ূন কবির জানান, এ ঘটনায় থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।

[প্রতিবেদনে তথ্য দিয়েছেন হবিগঞ্জ, নওগাঁ ও ইন্দুরকানী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি]



সাতদিনের সেরা