kalerkantho

শনিবার । ১২ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ২৭ নভেম্বর ২০২১। ২১ রবিউস সানি ১৪৪৩

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জনগণের অংশগ্রহণ বেড়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২২ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জনগণের অংশগ্রহণ বেড়েছে

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘শেখ হাসিনার সরকার স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে বরাবরই গুরুত্ব দিয়ে আসছে। গতকাল সোমবার ইউনিয়ন ও পৌরসভা নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউনিয়ন ও পৌরসভা নির্বাচনে জনগণের অংশগ্রহণ বেড়েছে, যা ইতিবাচক।’ তিনি গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে নিজের দপ্তরে সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচন তৃণমূলে গণতন্ত্রের ভিত্তি মজবুত করে। জবাবদিহির সুযোগ বাড়ায়। উন্নয়ন কার্যক্রম প্রান্তিক পর্যায়ে পৌঁছে দেয়।’

মন্ত্রী বলেন, ‘সংবিধান অনুযায়ী সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনকে সরকার সব ধরনের সহযোগিতা করে আসছে। আশা করি, নির্বাচন কমিশন পরবর্তী ধাপের নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় আরো কার্যকর এবং কঠোর পদক্ষেপ নেবেন।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপির কথা শুনলে মনে হয় দেশে একমাত্র তারাই গণতন্ত্রের ধারক, বাহক ও রক্ষক। তারাই গণতন্ত্রের সোল এজেন্ট। বিএনপি নিজেদের দ্বারা গণতন্ত্র হত্যার অতীত ভুলে গেছে। ভুলে গেছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গণতন্ত্রের চলমান অগ্রযাত্রায় পদে পদে প্রতিবন্ধকতা তৈরির কথা। মুখে জনগণের অধিকার আর গণতন্ত্রের কথা বললেও নির্বাচনে অংশ না নেওয়া বিএনপির স্পষ্ট দ্বিচারিতা।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘যে দলের মহাসচিব নির্বাচিত হয়ে সংসদে যান না অথচ জনগণের অধিকারের কথা বলেন, এ থেকে বোঝা যায় তাদের কথা ও কাজে কোনো মিল নেই। বিএনপি চর্চা করে দ্বৈত নীতি। এ কারণে তাদের প্রার্থীদের ওপর ভোটারদের আস্থাহীনতা তৈরি হয়েছে। বিএনপি এসব বুঝতে পেরেই ভরাডুবি এড়াতে নির্বাচন থেকে দূরে সরে গেছে। যা প্রকারান্তরে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে।’

তিনি বলেন, ‘দলীয় শীর্ষ নেতাদের হঠকারিতা আর সরকারের বিরুদ্ধে অতিমাত্রায় কৌশল করতে গিয়ে বিএনপি এখন আস্থাহীনতার ফাঁদে পড়েছে। তাই তারা এ ফাঁদ থেকে বেরিয়ে আসতে পারছে না। এ ফাঁদ থেকে বেরিয়ে আসতে চাইলেও নেতিবাচক আর দূর নিয়ন্ত্রিত রিমোট কন্ট্রোলের রাজনীতি বিএনপিকে সংকটের আরো গভীরে নিমজ্জিত করেছে।’



সাতদিনের সেরা