kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১২ কার্তিক ১৪২৮। ২৮ অক্টোবর ২০২১। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

শরণখোলা

নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা আহত ৩০

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি   

২২ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বাগেরহাটের শরণখোলায় নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় কমপক্ষে ৩০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ১৫ জন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং এক নারীসহ পাঁচজনকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিভিন্ন ওয়ার্ডে বিজয়ী ও পরাজিত ইউপি সদস্যের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে এসব সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ছাড়া উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নে পরাজিত তিন প্রার্থীর কর্মীদের দোকানপাট ভাঙচুরেরও অভিযোগ করেছেন ওই প্রার্থীরা।

গত সোমবার রাত থেকে গতকাল মঙ্গলবার বিকেল ৩টার মধ্যে শরণখোলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রেজিস্টারে আহত ২০ জনের ভর্তির তথ্য পাওয়া গেছে। এ ছাড়া বিভিন্ন এলাকায় আরো কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়ে বাড়িতে রয়েছে। তারা প্রতিপক্ষের ভয়ে হাসপাতালে আসতে পারছে না বলে ভুক্তভোগীদের অভিযোগে জানা গেছে।

উপজেলার বগী, চালিতাবুনিয়া, দক্ষিণ সাউথখালী, বকুলতলা, দক্ষিণ রাজাপুর, গোলবুনিয়া ও লাকুড়তলা এলাকায় এসব হামলা-ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এসব এলাকার মধ্যে সাউথখালী ইউনিয়নের বগী, চালিতাবুনিয়া ও বকুলতলা ওয়ার্ডে পরিস্থিতি ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানা গেছে।

সাউথখালী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৮ নম্বর চালিতাবুনিয়া ওয়ার্ডের বিজয়ী প্রার্থী জাহাঙ্গীর খলিফা জানান, ফলাফল ঘোষণার পর রাতে যে যার বাড়ি যাওয়ার পথে পরাজিত প্রার্থী জাফর তালুকদারের কর্মীরা তাঁর কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। এতে ছয়জন আহত হয়। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত সাইফুল ইসলাম রুবেল (৪১) ও মনির খানকে (৩৫) খুলনা মেডিক্যালে পাঠানো হয়েছে। বাকিরা শরণখোলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

এ ব্যাপারে জাফর তালুকদার বলেন, ‘মেম্বার জাহাঙ্গীর খলিফার লোকজনই আমার ছয়-সাতজন কর্মীকে মেরে আহত করেছে। সুলতান হাওলাদারের হাত ভেঙে গেছে। কিন্তু তাদের ভয়ে হাসপাতালে নিতে পারছি না। চালিতাবুনিয়া বাজারে আমার তিন কর্মীর দোকান ভাঙচুর করেছে।’

মোরেলগঞ্জে নবনির্বাচিত ইউপি সদস্য আটক : মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট) প্রতিনিধি জানান, বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে নবনির্বাচিত এক ইউপি সদস্যকে আটক করেছে থানার পুলিশ। গতকাল দুপুরের দিকে মোরেলগঞ্জ সদর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত ইউপি সদস্য মো. শাহিন আজাদকে আটক করা হয়। ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাদুরতলা গ্রামে নির্বাচনোত্তর হামলা, ভাঙচুরের অভিযোগে পুলিশ তাঁকে আটক করে। আটক শাহিন আজাদ কাজী ওই গ্রামের গফ্ফার কাজীর ছেলে।

এ বিষয়ে থানার ওসি মো. ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, নির্বাচনের পর পরাজিত সদস্য প্রার্থীর সমর্থকদের ওপর হামলা ও বসতঘর ভাঙচুরের অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে।



সাতদিনের সেরা