kalerkantho

মঙ্গলবার । ৩ কার্তিক ১৪২৮। ১৯ অক্টোবর ২০২১। ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

রোহিঙ্গাদের শিল্প-সংস্কৃতি প্রদর্শনী

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রোহিঙ্গাদের সাংস্কৃতিক নিদর্শন ও শিল্পকর্ম নিয়ে ঢাকার নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে গতকাল রবিবার শুরু হয়েছে সপ্তাহব্যাপী প্রদর্শনী। এতে ফুটে উঠেছে নিপীড়িত এই জনগোষ্ঠীর স্মৃতি, অভিজ্ঞতা ও প্রত্যাশা।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এবং নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির দ্য সাউথ এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব পলিসি অ্যান্ড গভর্নেন্সের (এসআইপিজি) অধীন সেন্টার ফর পিস স্টাডিজ (সিপিএস) এর আয়োজন করেছে। প্রদর্শনী চলবে আগামী শনিবার পর্যন্ত।

আইওএমের রোহিঙ্গা কালচারাল মেমরি সেন্টারের (আরসিএমসি) সঙ্গে যুক্ত রোহিঙ্গা কারিগররা নিজ হাতে এসব প্রদর্শনীর পণ্য (১০০টি) প্রস্তুত করেছেন। এতে সহায়তা করেছে নেদারল্যান্ডস দূতাবাস। আইওএম জানায়, প্রদর্শনীটি রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যকে বৃহৎ পরিসরে সংরক্ষণে আরসিএমসির চলমান উদ্যোগের অংশ।

আইওএম বাংলাদেশের মিশনপ্রধান গিওরগি গিগাওরি বলেন, এই প্রদর্শনীটির লক্ষ্য হচ্ছে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যের সৌন্দর্য এবং এর বিভিন্ন দিক প্রদর্শনের মাধ্যমে সম্প্রদায়কে ক্ষমতায়িত করা এবং এর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য যেন পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যেও চলমান থাকে, তা নিশ্চিত করা।

প্রদর্শনীতে ‘মিয়ানমার লাইফ’, ‘ক্যাম্প লাইফ’ ও ‘ফিউচার লাইফ’ শিরোনামের চিত্রকর্মগুলো রোহিঙ্গাদের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যেক তুলে ধরেছে। ঐতিহ্যবাহী ঘর, নৌকা ও আসবাবের স্কেল মডেলগুলো আরাকানের (বর্তমান রাখাইন) দৈনন্দিন জীবনকে তুলে ধরে। কৃষিকাজ, মাছধরা এবং গৃহস্থালি কর্মের বিভিন্ন যন্ত্র তাদের ঐতিহ্যগত জীবিকা এবং কারুশিল্পের দক্ষতা নির্দেশ করে। এ ছাড়া ক্যাম্পের ভিডিওগুলো রোহিঙ্গা কারিগরদের গল্প বলে। 

রোহিঙ্গা কারিগর সইদুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের ডানা আছে পাখা নেই, মন আছে আশা নেই। এই প্রদর্শনীটি আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরার সুযোগ করে দিয়েছে।’

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক মিয়া সেপ্পো, নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত অ্যানে জেরার্ড ভ্যান লিউয়েন, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আতিকুল ইসলাম বক্তব্য দেন।



সাতদিনের সেরা