kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৯ ডিসেম্বর ২০২১। ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৩

বগুড়া

ছাত্রীকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করা দুই চাচাকে ছুরিকাঘাত

ঘটনার পরপরই গাঢাকা দিয়েছেন অভিযুক্ত সজিব হাসান

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি   

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কয়েক দিন ধরে স্কুলপড়ুয়া ভাতিজিকে উত্ত্যক্ত করছিলেন একই গ্রামের বখাটে সজিব হাসান। তাই প্রতিবাদ করেন দুই চাচা। এর জেরে তাঁদের ছুরিকাঘাত করা হয় বলে অভিযোগ। গত শুক্রবার রাতে বাগড়া কলোনি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সজিব ও তাঁর লোকজন এই কাজ করেছেন বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আহতরা হলেন বাগড়া কলোনির আলী আজম (৩২) ও তাঁর ভাই আব্দুল আজিজ (২৮)। তাঁদের মধ্যে আজমের অবস্থা গুরুতর। দুই ভাই-ই বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। 

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আজিজ অভিযোগ করেন, ‘বড় ভাই আলম হোসেন ঢাকায় চাকরি করেন। সে কারণে ভাই ও ভাবি সেখানে থাকলেও তাঁদের দুই মেয়ে আমাদের সঙ্গে থাকে। এর মধ্যে বড় ভাতিজি শেরপুর পৌর শহরের শেরউড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে নবম শ্রেণির ছাত্রী। কিন্তু বেশ কিছুদিন ধরেই এই ভাতিজিকে উত্ত্যক্ত করে আসছে বাগড়া কলোনি গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে বখাটে সজিব হাসান। বিষয়টি জানতে পেরে সজিবকে উত্ত্যক্ত করতে নিষেধ করা হয়। এতে সজিব আরো ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। এমনকি আমার ও ভাই আলী আজমের সঙ্গে বাগিবতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। এর জেরে শুক্রবার রাতে আমাদের বসতবাড়িতে সশস্ত্র হামলা চালানো হয়। এ সময় আমাকে ও ভাইকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করা হয়। এক পর্যায়ে মৃত ভেবে রক্তাক্ত অবস্থায় আমাদের ফেলে রেখে সশস্ত্র বখাটেরা পালিয়ে যায়।’ আজিজ জানান, আশপাশের লোকজন তাঁদের দুই ভাইকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়। কিন্তু সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাঁদের বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

অন্যদিকে ঘটনার পর থেকেই সজিব পলাতক। বক্তব্য জানতে তাঁর মোবাইল নম্বরে কল দিলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।

শেরপুর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি। ভুক্তভোগীসহ সবার সঙ্গে কথা বলেছি। সেই সঙ্গে তাঁদের থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ছাড়া ঘটনায় জড়িত হামলাকারীদের ধরতে অভিযান চলছে।’



সাতদিনের সেরা