kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৯ ডিসেম্বর ২০২১। ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৩

‘কোস্টাল বেসলাইন’ সংকটের বিষয়ে জাতিসংঘকে চিঠি

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘কোস্টাল বেসলাইন’ নিয়ে সৃষ্ট সংকট বিষয়ে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসকে গত সপ্তাহে চিঠি পাঠিয়েছে বাংলাদেশ। প্রতিবেশী ভারত সমুদ্রসীমা নির্ধারণে যে ‘কোস্টাল বেসলাইন’ ব্যবহার করছে, তার একটি অংশ বাংলাদেশের সীমানায় পড়েছে। এর প্রতিবাদ জানিয়ে গত অক্টোবর মাসে বাংলাদেশ ভারতকে চিঠি পাঠিয়েছিল। কিন্তু ভারত এখনো তা সমাধান করেনি। এর পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ বিষয়টি জাতিসংঘকে অবহিত করেছে।

জানা গেছে, ভারত ‘টেরিটরিয়াল ওয়াটার’ ও ‘মেরিটাইম জোন’-সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন করে ১৯৭৬ সালে। ওই আইন প্রণয়নের তিন দশকেরও বেশি সময় পর ২০০৯ সালে ভারত ‘বেসলাইন’ নির্ধারণের জন্য সংশোধনী আনে। আগের নিয়মে ‘নিম্ন পানি’ থেকে বেসলাইন নির্ধারণের বিধান থাকলেও এখন তারা ‘স্ট্রেটলাইন’ পদ্ধতি ব্যবহার করছে। এটি সমুদ্রবিষয়ক জাতিসংঘের আইন আনক্লজের ৭ নম্বর ধারার পরিপন্থী।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, সমুদ্রতীর থেকে বেসলাইন নির্ধারণের বিধান রয়েছে। কিন্তু ভারতের ৮৭ নম্বর বেস পয়েন্টটি তীর থেকে প্রায় ১১ নটিক্যাল মাইল দূরে। অন্যদিকে এর ৮৯ নম্বর বেস পয়েন্টের অবস্থান বাংলাদেশের জলসীমার প্রায় ২.৩ মাইল ভেতরে পড়েছে।

জাতিসংঘ মহাসচিবকে পাঠানো চিঠিতে বাংলাদেশ বলেছে, সমুদ্র আইনবিষয়ক আন্তর্জাতিক সালিসি আদালতের ২০১৪ সালের রায় অনুসরণ করে বাংলাদেশ তার মহীসোপানের দাবি নির্ধারণ করেছে। উভয় দেশ ওই রায় মেনে গেজেট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করার পর এ নিয়ে আর কোনো বিরোধ থাকতে পারে না। বিষয়টি সুরাহার জন্য বাংলাদেশ অনুরোধ করলে ভারত এখনো তা করেনি। বরং ভারত বাংলাদেশের মহীসোপানের দাবির বিরোধিতা করে জাতিসংঘকে চিঠি দিয়েছে। বাংলাদেশ এ বিষয়টি দীর্ঘদিন জাতিসংঘ ও এর সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে অবহিত করেনি। কিন্তু ভারত যত দিন না তা সংশোধন করবে তত দিন বাংলাদেশ এর বিরোধিতা করে যাবে।



সাতদিনের সেরা