kalerkantho

শনিবার । ১২ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ২৭ নভেম্বর ২০২১। ২১ রবিউস সানি ১৪৪৩

কোন পথে হেফাজতে ইসলাম

আল্লামা আহমদ শফীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কোন পথে হেফাজতে ইসলাম

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির ও চট্টগ্রামের আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম (হাটহাজারী বড় মাদরাসা) মাদরাসার মহাপরিচালক আল্লামা শাহ আহমদ শফীর প্রথম মৃত্যুবাষির্কী আজ শনিবার।

দেশের শীর্ষ এই আলেম গত বছর ১৮ সেপ্টেম্বর রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তাঁর মৃত্যুতে যে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে, তা পূরণ হওয়ার নয় বলে মনে করছেন ইসলামী চিন্তাবিদরা।

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মঈনুউদ্দিন রুহি গতকাল শুক্রবার কালের কণ্ঠকে বলেন, আল্লামা শাহ আহমদ শফীর মৃত্যুতে দেশ ও মুসলিম উম্মাহর যে ক্ষতি হয়েছে, তা পূরণ হওয়ার নয়। তাঁর মৃত্যুতে আমরা এখনো শোকাহত। তিনি দেশ ও জাতির সম্পদ ছিলেন।

আল্লামা শাহ আহমদ শফীর মৃত্যুর পর প্রায় এক বছর শূন্য থাকা আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম মাদরাসার মহাপরিচালক পদে গত ৮ সেপ্টেম্বর ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মাদরাসার জ্যেষ্ঠ শিক্ষক মাওলানা মোহাম্মদ ইয়াহিয়া। তিনি হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নায়েবে আমির পদে রয়েছেন।

আল্লামা শফীর মৃত্যুর পর গত বছর ১৫ নভেম্বর সম্মেলনের মাধ্যমে আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরী হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির নির্বাচিত হন। যদিও ওই সম্মেলন শফী অনুসারীদের ছাড়াই অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। আল্লামা শফীর মৃত্যুর পর মূলত হেফাজতে ইসলাম বিভক্ত হয়ে পড়ে। এদিকে গত ১৯ আগস্ট হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির জুনাইদ বাবুনগরী মারা গেলে ফের সংগঠনটিতে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে।

২০১০ সালের জানুয়ারি মাসে হাটহাজারী বড় মাদরাসায় উলামা-মাশায়েখ সম্মেলনের মাধ্যমে অরাজনৈতিক ধর্মীয় অন্যতম বৃহৎ সংগঠন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির নির্বাচিত হন আল্লামা শাহ আহমদ শফী। মহাসচিব নির্বাচিত হন আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরী। প্রায় এক যুগ ধরে কওমিপন্থীদের অরাজনৈতিক ধর্মীয় এই সংগঠনের নেতৃত্বে ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা আমির ও মহাসচিব।

জুনাইদ বাবুনগরীর মৃত্যুর পর হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় কমিটির বর্তমান আমির আল্লামা মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী। জুনাইদ বাবুনগরীর মৃত্যুর পর গত ২৯ আগস্ট তাঁকে আমিরের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

এদিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের বিরোধিতা করে হেফাজতে ইসলামের তাণ্ডব ও নাশকতার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সংগঠনটির অনেক নেতাকর্মী গ্রেপ্তার হন। এর মধ্যে কিছু নেতাকর্মী জামিনে মুক্তি পেলেও এখনো অনেকে কারাগারে আছেন।



সাতদিনের সেরা