kalerkantho

সোমবার । ৯ কার্তিক ১৪২৮। ২৫ অক্টোবর ২০২১। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

১২০ পত্রিকার ডিক্লারেশন বাতিল করা হয়েছে

সাংবাদিকদের ব্যাংক হিসাব তলবের কারণ জানেন না তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



যেসব পত্রিকা বের হয় না, কিন্তু বিজ্ঞাপন পাওয়ার জন্য মন্ত্রণালয়ে দৌড়াদৌড়ি করে, যেদিন বিজ্ঞাপন পায় সেদিন ছাপা হয়, এমন ১২০টির মতো পত্রিকার ডিক্লারেশন বাতিল করা হয়েছে। ওই সব পত্রিকার কারণে সত্যিকার অর্থে যে পত্রিকাগুলো প্রকাশিত হয় তারা বিজ্ঞাপনবঞ্চিত হয়। বিজ্ঞাপনবঞ্চিত হওয়ার কারণে সেই পত্রিকার সাংবাদিকরা বেতন থেকে বঞ্চিত হন। গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহ্মুদ এসব কথা বলেন।

ডিইউজে সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংগঠনটির বার্ষিক সাধারণ সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহ্মুদ চৌধুরী, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) মোল্লা জালাল ও জাতীয় প্রেস ক্লাব সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন বক্তব্য দেন।

সভা পরিচালনা করেন বিএফইউজের সাবেক সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল। এ ছাড়া ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু সংগঠনটির বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ করেন।

সভায় তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সাংবাদিকরাই গণমাধ্যমের নানা বিশৃঙ্খলা দূর করে শৃঙ্খলা আনার দাবি জানিয়েছেন। আমি সাংবাদিকদের একজন হয়ে সেই চোখ দিয়ে বিষয়গুলো দেখার এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে বিশৃঙ্খলা দূর করার চেষ্টা করি। অনেক ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা এসেছে এবং এ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।’ তিনি আরো বলেন, বেসরকারি টিভি চ্যানেলগুলোর ক্রম নিয়ে একটা বিশৃঙ্খলা ছিল, কেবল অপারেটরদের কাছে টেলিভিশন চ্যানেলগুলোকে ধরনা দিতে হতো। এখন সম্প্রচার শুরুর তারিখ অনুযায়ী চ্যানেলগুলো দেখানো হয়।

আগামী ১ অক্টোবর থেকে বিদেশি চ্যানেলগুলো যাতে অনুমতি ছাড়া কোনো বিজ্ঞাপন দেখাতে না পারে সে জন্য সরকার দেশে প্রচলিত আইন কার্যকর করতে যাচ্ছে জানিয়ে হাছান মাহ্মুদ বলেন, ‘আমি সেটি ভারতের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীকেও অবহিত করেছি। কারণ ভারতের প্রচুর চ্যানেল এখানে প্রদর্শিত হয়, যেগুলোর মাধ্যমে বিজ্ঞাপন দেখানো হয়, যেটি আইনবহির্ভূত। আইপি টিভির ক্ষেত্রেও শৃঙ্খলা আনার চেষ্টা করছি, রেজিস্ট্রেশন দেওয়ার কাজ শিগগিরই শুরু করা হবে।’

ড. হাছান মাহ্মুদ বলেন, ‘যেসব সাংবাদিকের ব্যাংক হিসাব চাওয়া হয়েছে, তাঁদের ব্যক্তিগতভাবে চিনি ও তাঁদের আর্থিক অবস্থাও জানি। কেন তাঁদের হিসাব চাওয়া হলো আমারও প্রশ্ন।’

তথ্যমন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমাকে সরকারের প্রতিনিধিত্ব করতে হচ্ছে, সাংবাদিকদেরও প্রতিনিধিত্ব করতে হচ্ছে। আমি সবারই স্বার্থ রক্ষা করে কাজ করে যেতে চাই।’



সাতদিনের সেরা