kalerkantho

সোমবার । ৯ কার্তিক ১৪২৮। ২৫ অক্টোবর ২০২১। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

সংসদ অধিবেশন

চিকিৎসাব্যবস্থা নিয়ে সংসদে জবাব দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



চিকিৎসাব্যবস্থা নিয়ে সংসদে জবাব দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশের চিকিৎসাব্যবস্থার কঠোর সমালোচনা করেছেন বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যরা। গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদে বিল পাসের প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়ে তাঁরা চিকিৎসকরা কেন রাজনীতি করবেন—এই প্রশ্ন তোলেন। এর জবাবে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বাস্থ্য খাতে সরকারের সফলতার চিত্র তুলে ধরেন। দেশের নাগরিক হিসেবে রাজনীতি করার অধিকার সবার আছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশনে বিরোধী দলের সদস্যদের বক্তব্যের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ডাক্তারদের অ্যাসোসিয়েশন রয়েছে। স্বাচিপ, বিএমএ রয়েছে। রাজনীতি তো সবাই করতে পারে। প্রকৌশলী, আইনজীবীরা রাজনীতি করতে পারেন। সে অনুযায়ী চিকিৎসকরা তাঁদের অ্যাসোসিয়েশন করলে তাতে কোনো দোষ দেখি না।’

জনগণের চাহিদা অনুযায়ী সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিমানবন্দরে পিসিআর ল্যাব স্থাপনের বিষয়ে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ব্যবস্থা নেবে। আর বিমানবন্দর জায়গা দেবে। আমরা শুধু কারিগরি সহযোগিতা দেব। দু-এক দিনের মধ্যে বিমানবন্দরে পিসিআর ল্যাব স্থাপন করা হবে।’

এর আগে বিলের ওপর জনমত যাচাই-বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে জাতীয় পার্টির কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, ‘বিএনপি করে গিয়েছিল ড্যাব, আওয়ামী লীগ এসে করেছে স্বাচিপ। সে ক্ষেত্রে আমরা কী কারণে বসে থাকছি? এই আইনের মধ্যে যদি উনি আনতেন যে ডাক্তাররা ও বৈজ্ঞানিকরা রাজনীতি করতে পারবেন না, তাহলে খুব খুশি হতাম। ডাক্তাররা যদি এই দেশে রাজনীতি করেন তাহলে আমরা কী করব?’

চিকিৎসাব্যবস্থার বেহালের উল্লেখ করে বিএনপির সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ বলেন, ‘দেশে ৫০ বছরেও সরকারি হাসপাতাল ও বেসরকারি হাসপাতালের মধ্যে পার্থক্য করতে পারিনি। যারা সরকারি হাসপাতালে কর্মরত তারাই বেসরকারি হাসপাতালের ব্যবসা করছে।’ তিনি বলেন, ‘এতগুলো বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছেন, এগুলো মানসম্মত? আজ বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ থেকে যারা শিক্ষা অর্জন করছে, তারা কয়জন বিসিএসে টিকছে? ২০১৩ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির ক্ষেত্রে যে অনিয়ম-দুর্নীতি হয়েছে, এই ব্যাপারে কী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন?’

বিএনপির সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেন, ‘করোনাকালে অর্থনৈতিকভাবে কতগুলো পরিবার পঙ্গু হয়ে গেছে, সেই খবর কি আমাদের কাছে আছে? করোনায় সংকটাপন্ন অবস্থায় পড়ে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা না পেয়ে নিরুপায় মানুষ বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে সর্বস্বান্ত হয়েছে। করোনার আগে যেখানে মধ্যবিত্ত ছিল ৭০ শতাংশ, সেখানে এখন ৫০ শতাংশ। দরিদ্র মানুষ যেখানে ছিল ২০ শতাংশ, সেটা এখন ৪০ শতাংশ।’



সাতদিনের সেরা