kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ২ ডিসেম্বর ২০২১। ২৬ রবিউস সানি ১৪৪৩

পুলিশের ক্রাইম কনফারেন্স

সামাজিক মাধ্যমে কিশোর অপরাধ নিয়ন্ত্রণের তাগিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সামাজিক মাধ্যমে কিশোর অপরাধ নিয়ন্ত্রণের তাগিদ

আইজিপি বেনজীর আহমেদ

দেশব্যাপী কিশোর অপরাধের ঘটনা ঘটলেও ধারণা না থাকায় এটি আগে থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। এর জন্য আগে থেকে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। ফেসবুক ও ইউটিউবসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো ব্যবহার করে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, সরকার ও দেশের বিরুদ্ধে নানামুখী অপতৎপরতা চালানো হচ্ছে। তাই ফেসবুক ও ইউটিউব কর্তৃপক্ষকে জবাবদিহির আওতায় আনার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। গতকাল রবিবার পুলিশ সদর দপ্তরে শুরু হওয়া ত্রৈমাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় (ক্রাইম কনফারেন্স) এসব আলোচনা হয়েছে।

সভায় পুলিশ সুপারদের (এসপি) বক্তব্যে বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। পুলিশের অতিরিক্ত আইজি, ঢাকার বিভিন্ন ইউনিটের প্রধান, সব রেঞ্জ ডিআইজি, মহানগরের কমিশনার, সব জেলার এসপি এবং মহানগরের উপপুলিশ কমিশনারদের উপস্থিতিতে দুই দিনব্যাপী সভা শুরু হয়েছে গতকাল। সভায় সভাপতিত্ব করেন আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ।

পুলিশ সদর দপ্তর জানিয়েছে, সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন অতিরিক্ত আইজি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এম খুরশীদ হোসেন। শুরুর দিনে জানুয়ারি-মার্চ ও এপ্রিল-জুন দুই কোয়ার্টারের সার্বিক অপরাধ পরিস্থিতি, যেমন—ডাকাতি, দস্যুতা, খুন, দ্রুত বিচার আইনে মামলা, নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা, অপহরণ, সিঁধেল চুরি, দাঙ্গা, মাদক, অস্ত্র ও গাড়ি উদ্ধার ইত্যাদির তথ্য তুলে ধরা হয়। এসব তথ্য তুলে ধরেন ডিআইজি (ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট) এ ওয়াই এম বেলালুর রহমান। ক্রাইম কনফারেন্সে উন্মুক্ত আলোচনায় মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা কিশোর অপরাধ, মুলতবি মামলা, জনকল্যাণমূলক বেস্ট প্র্যাকটিসসহ আইন-শৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন পুলিশ সুপার জানান, সম্প্রতি দেশে ও দেশের বাইরে থেকে একটি মহল বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে টার্গেট করে নানামুখী অপতৎপরতা শুরু করেছে। এ বিষয়ে তথ্য-প্রযুক্তি আইনে মামলা করলেও এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। কারণ এসব দুর্বৃত্ত দেশের বাইরে অবস্থান করে দেশ ও সরকার, বিচার বিভাগ, রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন বাহিনী ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিষোদগার করছে। তাদের এসব অপতৎপরতা রোধে ফেসবুক, টুইটার ও ইউটিউবসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোকে জবাবদিহির আওতায় আনার পরামর্শ দেন তাঁরা।

আরেক কর্মকর্তা বলেন, আগে থেকে ধারণা না থাকায় কিশোর অপরাধীদের নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয় না। এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে নির্দেশনা চান পুলিশ সুপাররা। এ বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পুলিশের সব ক্রাইম ইউনিটে একটি নির্দেশনা দেওয়া হয়।

সভার শুরুতে করোনা অতিমারিতে জীবন উৎসর্গকারী পুলিশ সদস্যদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। আজ সোমবার দ্বিতীয় দিনে আবার সভা অনুষ্ঠিত হবে।



সাতদিনের সেরা