kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৯ ডিসেম্বর ২০২১। ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৩

৮০% শিক্ষক-কর্মীর টিকা দেওয়া থাকতে হবে

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে জাতীয় কমিটি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



স্কুলসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ক্ষেত্রে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের কমপক্ষে ৮০ শতাংশ শিক্ষক ও কর্মচারীর কভিড-১৯-এর টিকা নেওয়া থাকতে হবে এবং তাঁরা দ্বিতীয় ডোজের ১৪ দিন পার হওয়ার পর প্রতিষ্ঠানে যোগ দিতে পারবেন। তবে ক্ষেত্রবিশেষে প্রথম ডোজের ১৪ দিন পরে প্রতিষ্ঠানে যোগদানের অনুমতি দেওয়া যেতে পারে।

কভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি গতকাল মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সুপারিশের তথ্য জানিয়েছে। সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রী-উপমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অংশগ্রহণে এক যৌথ সভার সিদ্ধান্তও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তুলে ধরা হয়েছে। কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ শহীদুল্লাহর সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, স্কুলসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কখন এবং কিভাবে চালু করা হবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় যেসব বিষয় বিবেচনা করতে হবে, তা হলো—সব শিক্ষার্থী ও শিক্ষক-কর্মচারীর সব ধরনের ঝুঁকি কমানোর যথাযথ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা, স্কুল বন্ধ থাকার কারণে শিক্ষার্থীরা যেসব ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে এবং যে মানসিক চাপ সৃষ্টি হয়েছে, তা কমানোর যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং এলাকায় কভিড-১৯ রোগের পরবর্তী সংক্রমণ রোধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া। স্কুলসহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সবার মাস্ক পরা নিশ্চিত করা এবং এর ব্যত্যয় হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা (বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নীতিমালা অনুযায়ী এবং পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু ছাড়া)। কেন্দ্রীয়ভাবে সব শিক্ষার্থীর জন্য উপযুক্ত মানসম্পন্ন এবং সঠিক মাপের মাস্কের ব্যবস্থা ও বিতরণ করা। একই সঙ্গে অন্যান্য জনস্বাস্থ্যবিষয়ক পদক্ষেপ, যেমন—হাত পরিষ্কার রাখা (হাত ধোয়া-হাত জীবাণুমুক্তকরণ স্টেশন স্থাপন) এবং সাধারণ পরিষ্কার-পরিছন্নতা মেনে চলা। এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরামর্শ অনুযায়ী যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) প্রস্তুত করা দরকার। শ্রেণিকক্ষে এবং প্রতিষ্ঠানে সমাগম নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য নির্দিষ্ট ক্লাস কোনটি সপ্তাহের কোন দিন হবে তা বিভক্ত করে দেওয়া যেতে পারে। প্রথম দিকে পরীক্ষার্থীদের ক্লাস প্রতিদিন খোলা রাখা ছাড়া বাকি সব ক্লাস সপ্তাহের এক-দুই দিন খোলা রাখা। এতে নির্দিষ্ট দিনে যে ক্লাসটি খোলা থাকবে, তার শিক্ষার্থীরা অন্য খালি শ্রেণিকক্ষগুলো ব্যবহার করে নির্দিষ্ট দূরত্ব মেনে বসতে পারবে। এ ছাড়া প্রথম দিকে স্বল্প সময়ের জন্য প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা, যাতে খাবার গ্রহণের জন্য মাস্ক খোলার প্রয়োজন না হয়। আবাসিক সুবিধা সংবলিত স্কুলসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে সমাবেশ হওয়ার স্থানগুলো (ক্যাফেটেরিয়া, ডাইনিং, টিভি/স্পোর্টস রুম) বন্ধ রাখা; রান্নাঘর থেকে কক্ষে সরাসরি খাবার সরবরাহের ব্যবস্থা রাখা, একাধিক শিক্ষার্থীকে একই বিছানা ব্যবহার করা থেকে বিরত রাখা, মাদরাসায় একসঙ্গে নামাজ, সমাবেশ ইত্যাদির ক্ষেত্রে নির্দেশনা মেনে চলা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার আগে ‘করণীয়’ ও ‘বর্জনীয়’ কাজ সম্পর্কে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের একটি ওরিয়েন্টেশনের মাধ্যমে সুস্পষ্ট ধারণা দিতে হবে।



সাতদিনের সেরা