kalerkantho

শনিবার । ১২ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ২৭ নভেম্বর ২০২১। ২১ রবিউস সানি ১৪৪৩

জামায়াত সেক্রেটারিসহ ৯ জন রিমান্ডে

‘জননিরাপত্তা সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ’

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সরকারকে অবৈধভাবে উত্খাত করার অভিযোগে রাজধানীর ভাটারা থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ ৯ জনের চার দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর হাকিম বেগম মাহমুদা আক্তারের আদালত শুনানি শেষে এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিমান্ডে যাওয়া অন্য আসামিরা হলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান ও হামিদুর রহমান আজাদ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য আবদুর রব, ইজ্জত উল্লাহ, মোবারক হোসাইন, জামায়াতের সুরা সদস্য ইয়াসিন আরাফাত, সেক্রেটারি জেনারেলের গাড়িচালক মনিরুল ইসলাম ও জামায়াতের কর্মী আব্দুল কালাম।

গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের গতকাল ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। এরপর ভাটারা থানার উপপরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামিদের ১০ দিন করে রিমান্ডের আবেদন করেন। রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, আসামিরা দেশের জননিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করাসহ ব্যক্তিসত্তা ও প্রজাতন্ত্রের সম্পর্কের ক্ষতিসাধনসহ শেখ হাসিনার সরকারকে অবৈধভাবে উত্খাত করার উদ্দেশ্যে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন।

এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আবু রিমান্ড মঞ্জুরের পক্ষে শুনানি করেন। শুনানিতে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী তাদের রাজনীতিকে সুসংগঠিত করার নামে সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকার পাশাপাশি নাশকতার ঘটনা ঘটানোর চেষ্টায় লিপ্ত। তাই আসামিদের রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দিয়ে আরো তথ্য-উপাত্ত উদ্ধার ও মামলার তদন্তের স্বার্থে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশের হেফাজতে পাঠানোর আদেশ প্রার্থনা করছি।’

অন্যদিকে আসামিপক্ষে অ্যাডভোকেট আব্দুর রাজ্জাক, শিশির মনির, এম ডি গোলাম রহমান ভূঁইয়াসহ কয়েকজন আইনজীবী রিমান্ড আবেদন বাতিল ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন। শুনানিতে তাঁরা বলেন, শুধু জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকা ও দায়িত্ব পালন করার ফলে উদ্দেশ্যমূলকভাবে হয়রানি করার জন্যই তাঁদের এই মামলায় আসামি করে রিমান্ড চাওয়া হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই। তাই তাঁদের রিমান্ড আবেদন বাতিল করে জামিনে মুক্তি দেওয়া হোক। যেকোনো শর্তে জামিন পেলে আসামিরা কোনো আইনি ব্যত্যয় না ঘটিয়ে ঠিকমতো হাজিরা দেবেন।



সাতদিনের সেরা