kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৯ ডিসেম্বর ২০২১। ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৩

সেতু সংস্কারে উদ্যোগী হলেন উপজেলা চেয়ারম্যান

সীমানা জটিলতার অজুহাতে দেখা যায়নি এলজিইডি কর্মকর্তাদের

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, গাজীপুর   

৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গাজীপুরের কাপাসিয়া ও নরসিংদীর মনোহরদীর উপজেলার সীমানায় পুরনো ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর বেইলি সেতু ভেঙে পড়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। দুই দিন ধরে বন্ধ থাকে যান চলাচল। তবে সোমবার রাত ৯টা থেকে স্বাভাবিক হয়েছে যান চলাচল, কিন্তু ভেঙে পড়া সেতু মেরামত কে করবে—এ নিয়ে ওই দুই উপজেলার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) কোনো কর্মকর্তাকে উদ্যোগী হতে দেখা যায়নি। শেষমেশ এগিয়ে আসেন কাপাসিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আমানত হোসেন খান। যানবাহন চালক ও যাত্রীদের দুুর্ভোগের কথা ভেবে তাৎক্ষণিক উদ্যোগ নেন তিনি। দুই দিন ধরে চলে সেতুর সংস্কারকাজ। উল্লেখ্য, সেতুটির অর্ধেক অংশ পড়েছে কাপাসিয়ার চরখিরাটীতে, বাকি অর্ধেক মনোহরদীতে।

স্থানীয়রা জানায়, দেড় যুগেরও বেশি সময় আগে পুরনো ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর নির্মিত হয় সেতুটি। দুই উপজেলার পণ্য পরিবহন ও যোগাযোগব্যবস্থায় এর গুরুত্ব অনেক। এত দিন ঝুঁকি নিয়েই চলত যানবাহন। গত ১ সেপ্টেম্বর সেতুর উভয় পাশের পাটাতন ভেঙে যায়। এতে বিচ্ছিন্ন হয় যোগাযোগ।

আবদুর রহমান নামের এক ব্যবসায়ী জানান, সীমানা জটিলতায় দুই উপজেলার এলজিইডির কোনো কর্মকর্তাই এগিয়ে আসেননি। স্থানীয়দের মাধ্যমেই উপজেলা চেয়ারম্যান সেতুর অবস্থা জানতে পারেন।

পরবর্তী সময়ে কাপাসিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আমানত হোসেন খান জেলা প্রকৌশলীর সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে তিনি সেতু সংস্কারে উপজেলা পরিষদ থেকে সার্বিক সহযোগিতা দেন। 

কাপাসিয়া উপজেলা প্রকৌশলী আবদুর রহমান মুহিন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘সেতুর পাটাতন ভেঙে পড়ার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে উপসহকারী প্রকৌশলী জায়গাটি পরিদর্শন করেন। পরিত্যক্ত সেতুর প্লেট এনে সেতু সংস্কার করা হয়।’

অ্যাডভোকেট আমানত হোসেন খান বলেন, ‘সেতু ভেঙে পড়ার ঘটনা গত ৩ সেপ্টম্বর রাতে জানতে পারি। পরদিন সকালেই সেতু পরিদর্শন করে নিরীহ মানুষের দুর্ভোগের চিত্র দেখে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিই।’



সাতদিনের সেরা