kalerkantho

শনিবার । ১২ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ২৭ নভেম্বর ২০২১। ২১ রবিউস সানি ১৪৪৩

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় শক্তিশালী তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন জরুরি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



তামাকের কারণে প্রতিবছর প্রায় এক লাখ ২৬ হাজার মানুষ মারা যায়। তামাকজনিত এই ব্যাপক মৃত্যু রোধে ২০১৬ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন টোব্যাকো কন্ট্রোলের (এফসিটিসি) আলোকে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। সংশোধনীর মাধ্যমে বর্তমান তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনটি যুগোপযোগী করা এখন সময়ের দাবি। গতকাল শনিবার তামাকবিরোধী সংগঠন প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান) ও অ্যান্টিটোব্যাকো মিডিয়া অ্যালায়েন্স—আত্মার যৌথ উদ্যোগে ‘কভিড-১৯ ও শক্তিশালী তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের প্রয়োজনীয়তা : বাংলাদেশ প্রেক্ষিত’ শীর্ষক ওয়েবিনারে অংশ নিয়ে এমনটাই মত দিয়েছেন সংসদ সদস্য, অর্থনীতিবিদ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, সাংবাদিকসহ জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। অনুষ্ঠানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘সংশোধনী প্রস্তাবগুলোর সঙ্গে আমি একমত। এগুলো তামাকমুক্ত বাংলাদেশ অর্জনে জরুরি।’ অর্থনীতিবিদ এবং জাতীয় তামাকবিরোধী মঞ্চের আহ্বায়ক ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ বলেন, আইন সংশোধনের পাশাপাশি তামাকের ক্ষতির বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য কাজ করতে হবে। জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের সমন্বয়কারী ও অতিরিক্ত সচিব হোসেন আলী খোন্দকার বলেন, ‘আইন সংশোধনের যে ছয়টি প্রস্তাব তুলে ধরা হয়েছে সেগুলো সমন্বিত করেই আইনটি সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আমরা আশা করছি, সব প্রস্তাব নিয়েই আইনটি সংশোধন করা হবে।’



সাতদিনের সেরা