kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৯ ডিসেম্বর ২০২১। ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৩

নির্বাচন না হলেও চলবে বার কাউন্সিলের কার্যক্রম

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দৈবদুর্বিপাক অথবা অন্য কোনো অনিবার্য কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বার কাউন্সিলের নির্বাচন করা না গেলে কাউন্সিলের কার্যক্রম চলমান থাকবে। এমন বিধান রেখে জাতীয় সংসদে ‘বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল-২০২১’ পাস হয়েছে।

গতকাল শনিবার স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশনে বিলটি পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। পরে বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়। এর আগে বিলের ওপর বিরোধী দলের সদস্যদের আনা জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়।

বিলে বলা হয়েছে, ৩১ মের মধ্যে বার কাউন্সিলের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। অতিমারি, মহামারি, দৈব ঘটনা অথবা অন্য কোনো অনিবার্য কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বার কাউন্সিলের নির্বাচন করা না গেলে সরকার ১৫ সদস্যের একটি অ্যাডহক কমিটি গঠন করবে। এই কমিটির প্রধান হবেন অ্যাটর্নি জেনারেল। এই অ্যাডহক কমিটির মেয়াদ হবে সর্বোচ্চ এক বছর। এই কমিটির মেয়াদ বাড়বে না।

প্রসঙ্গত, করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন করতে না পারায় বাংলাদেশ বার কাউন্সিল পরিচালনার জন্য ১৫ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি গঠন করে গত ২৮ জুলাই অধ্যাদেশ জারি করেন রাষ্ট্রপতি। নিয়ম অনুযায়ী গত ১ সেপ্টেম্বর অধ্যাদেশটি সংসদে তোলা হয়। ওই অধ্যাদেশের বিধানগুলো বিদ্যমান আইনে সংযোজন করতে গত শুক্রবার বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী।

বার কাউন্সিলের বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হয় গত জুন মাসে। পদাধিকারবলে বার কাউন্সিলের কার্যনির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান হন রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অর্থাৎ অ্যাটর্নি জেনারেল। তাঁকে নিয়ে ১৫ সদস্যের কার্যনির্বাহী কমিটি বার কাউন্সিলের। ভোটের মাধ্যমে দেশের প্রায় অর্ধলাখ সনদপ্রাপ্ত আইনজীবী তিন বছরের জন্য ১৪ জন প্রতিনিধি নির্বাচন করেন। তাঁদের মধ্যে সাধারণ আসনে সাতজন ও দেশের সাতটি অঞ্চল থেকে বাকি সাতজনকে নির্বাচন করা হয়। নির্বাচিত সদস্যরা তাঁদের মধ্য থেকে একজনকে ভাইস চেয়ারম্যান মনোনীত করেন।



সাতদিনের সেরা