kalerkantho

শনিবার । ১৫ মাঘ ১৪২৮। ২৯ জানুয়ারি ২০২২। ২৫ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

আবার ডিমের ডজন ১১০ টাকা

দাম বেড়েছে মুরগি, আটা, সবজির

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর বাজারগুলোতে আরেক দফা বেড়েছে ডিম, মুরগি, আটা, সবজিসহ বেশ কিছু নিত্যপণ্যের দাম। এ ছাড়া তেল ও চিনি আগের মতোই বিক্রি হচ্ছে বাড়তি দামে। যদিও বিক্রেতারা এসব পণ্যের চড়া দামের সঠিক কোনো কারণ বলতে পারছেন না। তাঁদের ভাষ্য, সরবরাহ সংকটে পাইকারিতে বাড়ছে, তাই খুচরা বাজারেও তার প্রভাব পড়ছে।

বিজ্ঞাপন

গতকাল শুক্রবার একাধিক বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত সপ্তাহের তুলনায় ডিমের দাম আরো পাঁচ টাকা বেড়েছে ডজনে। ফার্মের মুরগির ডিম এখন ১১০ টাকা ডজন। বেড়েছে মুরগির দামও। গতকাল ব্রয়লার মুরগি কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়। এ ছাড়া সোনালি মুরগির দাম ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ২৩০ থেকে ২৪০ টাকা কেজি।

জানতে চাইলে সেগুনবাগিচা বাজারের বিক্রেতা আলম বলেন, ‘ডিমের দাম কেন বাড়ছে, তা ঠিক বলতে পারব না। তবে পাইকারিতে আমাদের কেনা পড়ে বেশি তাই খুচরাতেও বেশি দামে বিক্রি করছি। মুরগির দাম অনেক দিন ১১০ টাকা বিক্রি হয়েছে। এখন দুই সপ্তাহ ধরে কিছুটা বাড়ছে। ’

বাজারে আরেক দফা বেড়েছে সবজির দাম। সেই সঙ্গে শীতের কিছু আগাম সবজিও দেখা গেছে বাজারে, যেমন শিম। তবে দাম অত্যন্ত চড়া। ব্যবসায়ীরা খুচরায় শিমের কেজি বিক্রি করছেন ১৬০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত। গাজর ও টমেটো বিক্রি হচ্ছে আগের দামে, ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে।

বাজারে বেশির ভাগ সবজিই পাঁচ থেকে ১০ টাকা বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বাজারে প্রতি কেজি বেগুন (গোল) ৮০ টাকা, লম্বা বেগুন ৪০-৫০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা। চাল কুমড়া পিস ৪০ টাকা, লাউ আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকায়, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৪০ টাকা, চিচিঙ্গা ৪০ টাকা কেজি, পটোল ৪০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ টাকা, কচুর লতি ৮০ টাকা ও কাঁকরোল ৬০-৮০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে আগের দামেই, ১০০ টাকা কেজি। কাঁচকলার হালি ২৫-৩০ টাকা। কাঁচা পেঁপে প্রতি কেজি বিক্রি ৪০ টাকা। শসা বিক্রি হচ্ছে ৮০-৬০ টাকায়। লেবুর হালি ১০-১৫ টাকা।

তবে আলুর দাম কমেছে কেজিতে পাঁচ টাকা। বাজারে এখন আলু পাওয়া যাচ্ছে ২০ টাকা কেজি। গত সপ্তাহের দামে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ, কেজিপ্রতি ৪০-৫০ টাকা।

এ ছাড়া শুকনা মরিচ প্রতি কেজি ১৫০-২৫০ টাকা, রসুনের কেজি ৮০-১৩০ টাকা, আদার দাম ২০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা। হলুদ ১৬০ টাকা থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ভোজ্য তেল, চিনি, ডাল ইত্যাদির দাম নতুন করে না বাড়লেও এসব মুদিপণ্য আগেই চড়া হয়ে আছে। মসুর ডাল কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৮৫-৯০ টাকায়। বোতলজাত ভোজ্য তেল প্রতি লিটার ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা। তবে ব্যবসায়ীরা দু-এক দিনের মধ্যেই দাম লিটারপ্রতি সাত টাকা বাড়ার সম্ভাবনার কথা বলেছেন। খোলা চিনি বিক্রি হচ্ছে কেজি ৮০ টাকায়, প্যাকেট চিনি ৮৫ টাকা। বেড়েছে আটার দাম। প্রতি কেজি আটা বিক্রি হচ্ছে ৩৩-৩৫ টাকায়; কেজিতে বেড়েছে তিন থেকে পাঁচ টাকা।



সাতদিনের সেরা