kalerkantho

মঙ্গলবার । ১০ কার্তিক ১৪২৮। ২৬ অক্টোবর ২০২১। ১৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

মিরপুরে গ্যাস বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কয়েক দিন ধরেই বাসার গ্যাসের লাইনে সমস্যা হচ্ছিল। কয়েকবার মিস্ত্রি ডেকে মেরামত করা হলেও পুরোপুরি ঠিক হয়নি। তাই আবার গ্যাস সংযোগ মেরামত করতে মিস্ত্রি ডাকেন। মেরামত শেষে লাইন পরীক্ষা করতে নিচতলার চুলা জ্বালালে জমা গ্যাস থেকে হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। এ সময় চারপাশে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় সাতজন দগ্ধ হয়। এতে একেক করে ভবন মালিক রফিকুলের মা, সত্মা, ভাই ও মিস্ত্রি মারা যাওয়ার পর গতকাল বুধবার রেণু বেগম (৩৭) নামের আরেক নারীর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বুধবার সকাল ৭টার দিকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রেণুর মৃত্যু হয়। এ নিয়ে এই ঘটনায় পাঁচজন মারা গেছেন।

বার্ন ইনস্টিটিউটের প্রধান সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন জানান, মিরপুরের দুর্ঘটনায় আইসিইউতে রেণু বেগমের মৃত্যু হয়েছে। তাঁর শরীরের ৩৮ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। রেণু বেগমের বাড়ি মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার কুতুবদিয়া গ্রামে। তাঁর বাবার নাম আক্কাস আলী। স্বামী প্রয়াত কামাল হোসেন। এক ছেলের জননী রেণু। যে ভবনে বিস্ফোরণ ঘটে, তার নিচতলায় ভাড়া থাকতেন তিনি।

ভবন মালিক রফিকুল ইসলাম গতকাল সন্ধ্যায় কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ঘটনার পরদিন গত বৃহস্পতিবার রাত ১০টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমার ছোট মা (সত্মা) রিনা বেগম (৫২) মারা যান। ওই রাতেই ২টা ও আড়াইটায় মারা যান রিনার ছেলে শফিকুল ইসলাম (৩৫) ও গ্যাস লাইনের মিস্ত্রি সুমন (৪০)। শুক্রবার বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে মারা যান আমার মা রওশনারা বেগম (৭০)। এ ঘটনায় বর্তমানে নাজনীন (২৫) ২৭ শতাংশ ও তাঁর মেয়েশিশু নওশীন (৫) ১৫ শতাংশ দগ্ধ অবস্থায় শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি আছেন।’

গত ২৫ আগস্ট রাত ১২টার দিকে রাজধানীর মিরপুর ১১ নম্বর সেকশনের একটি বাসার নিচতলায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। শুধু রফিকুলের ওই ভবন নয়, এলাকার অনেক ভবনের গ্যাসের লাইনে সমস্যা আছে বলে জানা গেছে।



সাতদিনের সেরা