kalerkantho

মঙ্গলবার । ১০ কার্তিক ১৪২৮। ২৬ অক্টোবর ২০২১। ১৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

‘খালেদার মুক্তি ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারই বড় চ্যালেঞ্জ’

নানা কর্মসূচিতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



নানা কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে দলের ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করছে বিএনপি। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল বুধবার সকালে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান বিএনপি নেতারা।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকালে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু শেরেবাংলানগরে জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রয়াত নেতার আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করেন।

এই সময় দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, আবদুস সালাম, যুগ্ম মহাসচিব মাহবুব উদ্দিন খোকন, খায়রুল কবির খোকন, সাবেক সংসদ সদস্য অবসরপ্রাপ্ত মেজর আক্তারুজ্জামান, মহানগর বিএনপির উত্তরের সদস্যসচিব আমিনুল হক, দক্ষিণের রফিকুল আলম মজনু, যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নিরব ও সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। পরে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভীও কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। ঢাকা মহানগর বিএনপি উত্তর-দক্ষিণ এবং যুবদলের পক্ষ থেকেও আলাদাভাবে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

সংসদ অধিবেশন উপলক্ষে সকাল থেকে চন্দ্রিমা উদ্যানে ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। সাধারণ প্রবেশাধিকারে বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়। ফলে বিএনপির ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শ্রদ্ধা নিবেদনে নেতাকর্মীদের প্রবেশ করতে বাধা দেয় পুলিশ। পরে সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে চন্দ্রিমা উদ্যানের প্রবেশপথ দিয়ে বিএনপি মহাসচিব, মির্জা আব্বাসসহ ১০-১২ জন হেঁটে সমাধিস্থলে যান।

ফখরুল এ সময় বলেন, সরকার সম্পূর্ণভাবে বিধি-নিষেধ জারি করেছে। পুলিশ আগেই জানিয়ে দিয়েছে আজকে ৩০ জনের বেশি আসা যাবে না। এটা নাকি এখন তাদের (পুলিশ) কন্ট্রোলের মধ্যে নেই। এভাবে তারা বাধার সৃষ্টি করেছে।

১৭ আগস্টের নবগঠিত ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণের নেতাদের পুষ্পমাল্য অর্পণের ঘটনা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘এখানে এলে বাধা দেওয়া হয়, নেতাকর্মীদের ওপর গুলি চালানো হয়, গ্রেপ্তার করা হয়। যাঁরা গ্রেপ্তার হয়েছেন আমরা অবিলম্বে তাঁদের মুক্তি চাই, তাঁদের মামলা প্রত্যাহার চাই।’

ফখরুল বলেন, ‘বিএনপি ৪৩ বছর সংগ্রাম, লড়াই করেছে, আজকে ৪৪ বছরে পড়েছে। এখন বিএনপির সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে, দেশে গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করা এবং গণতন্ত্রের আপসহীন নেত্রী খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা। আজকে আমাদের ৩৫ লাখ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, ৫০০-এর অধিক আমাদের নেতাকর্মীকে গুম করা হয়েছে, সহস্রাধিক নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে, এই অবস্থার পরও বিএনপি আজকে নিঃসন্দেহে নিজের পায়ের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। এই সীমিত পরিসরের মধ্যেও আমাদের দলকে সংগঠিত করছি এবং রাস্তায় জনগণের দাবিদাওয়া নিয়ে আন্দোলন করছি।’



সাতদিনের সেরা