kalerkantho

শনিবার । ৮ মাঘ ১৪২৮। ২২ জানুয়ারি ২০২২। ১৮ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

ঢাকা-সিলেট বাণিজ্য করিডর

১৭৮ কোটি ডলার ঋণ দেবে এডিবি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৮ আগস্ট, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঢাকা-সিলেট বাণিজ্য করিডরের জন্য ১৭৮ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ অনুমোদন করেছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। চলাচল, সড়ক নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক বাণিজ্য উন্নয়নে ‘মাল্টিট্রাঞ্চ ফিন্যানশিয়াল ফ্যাসিলিটির (এমএমএফ)’ আওতায় এই ঋণ দেওয়া হবে বাংলাদেশকে। এডিবির ওয়েবসাইটে গতকাল শুক্রবার এই তথ্য জানানো হয়।

এডিবি বলেছে, ঢাকা-সিলেট করিডর সড়কের কাজ শেষ হলে তা বাণিজ্যের নতুন একটি দিক উন্মোচনে সহায়ক হবে।

বিজ্ঞাপন

এই সড়ক চট্টগ্রাম বন্দরকে তিনটি স্থলবন্দর আখাউড়া, শেওলা ও তামাবিলের মাধ্যমে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সঙ্গে যুক্ত করবে। সেখান থেকে যুক্ত হবে মিয়ানমার ও ভুটানের সঙ্গেও।

এডিবি আরো বলছে, ঢাকা-সিলেট বাণিজ্য করিডর সরকারের ‘নর্থ-ইস্ট বাংলাদেশ ইকোনমিক করিডর পরিকল্পনার’ কেন্দ্রস্থল হয়ে উঠবে। ওই অঞ্চলে জ্বালানি উৎপাদন এবং নির্মাণসামগ্রীসহ প্রধান শিল্পগুলোর উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে আরো সংহত করা ওই পরিকল্পনার লক্ষ্য।

দক্ষিণ এশিয়ায় এডিবির পরিবহন বিশেষজ্ঞ সাতোমি সাকাগুচি বলেন, ‘বাংলাদেশের রপ্তানিনির্ভর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আঞ্চলিক বাণিজ্য এবং পরিবহনের কেন্দ্র হয়ে ওঠার ক্ষেত্রে এর অনন্য সম্ভাবনাকে তুলে ধরেছে। ’

তিনি বলেন, ‘সাউথ এশিয়া সাবরিজিওনাল ইকোনমিক কো-অপারেশন (সাসেক)’ প্রকল্পের আওতায় ৫ নম্বর রোড করিডরের প্রধান অংশ এই সড়ক। এটির উন্নয়ন পণ্য পরিবহনের খরচ কমিয়ে আনবে, প্রতিযোগিতা বাড়াবে এবং প্রতিবেশী দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর সঙ্গে আঞ্চলিক বাণিজ্য বাড়াবে। সেই সঙ্গে সাধারণ মানুষকেও নিরাপদ প্রবেশাধিকার দেবে। এই বিনিয়োগ প্রকল্প এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সমন্বিত এবং সরকারের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনেও সহায়ক হবে।

এডিবি জানায়, ‘সাসেক ঢাকা-সিলেট করিডর সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে’ চারটি ধাপে অর্থ দেওয়া হবে। প্রথম দফায় ‘এমএমএফ’ থেকে দেওয়া ৪০ কোটি ডলার ‘জাতীয় মহাসড়ক নম্বর ২’ প্রশস্ত করাসহ ঢাকা-সিলেট করিডর দুই লেন থেকে চার লেনে উন্নীতকরণে প্রাথমিক কাজগুলোর ক্ষেত্রে সহায়ক হবে। এর মধ্যে রয়েছে ৬০ কিলোমিটার ফুটপাত, ২৬টি পদচারী সেতু ও ১৩টি ওভারপাস। জলবায়ু ও দুর্যোগের ঝুঁকিসহ বয়স্ক, নারী, শিশু ও ভিন্নভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের কথা বিবেচনা করে এসবের নকশা করা হবে।



সাতদিনের সেরা