kalerkantho

শনিবার । ১৫ মাঘ ১৪২৮। ২৯ জানুয়ারি ২০২২। ২৫ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

দুই জেলায় বিচারককে হুমকি দিয়ে চিঠি

জয়পুরহাট ও টাঙ্গাইল প্রতিনিধি   

২৮ আগস্ট, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জয়পুরহাট ও টাঙ্গাইলে দুজন বিচারককে চিঠি পাঠিয়ে হুমকি দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে জয়পুরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. রুস্তম আলীকে ‘তালেবান গোষ্ঠী’র কিছু ‘নিয়ম’ মানতে বলা হয়েছে চিঠিতে। আর টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিনকে বোমা মেরে হত্যার হুমকি দিয়েছেন জঙ্গি সংগঠনের সদস্য পরিচয়ে এক ব্যক্তি।

জয়পুরহাটের পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভুঞা গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ‘তালেবান গোষ্ঠী’ পরিচয় দিয়ে বিচারক রুস্তম আলীকে হুমকি দেওয়ার বিষয়টি জানান।

বিজ্ঞাপন

জয়পুরহাটের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) নৃপেন্দ নাথ মণ্ডলও বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

মাছুম আহাম্মদ ভুঞা বলেন, প্রেরকের জায়গায় জয়পুরহাট সদরের দুর্গাদহ ভাদশার ‘আশরাফ আলী’ নামের এক ব্যক্তির নাম রয়েছে। সে নিজেকে ‘তালেবান গোষ্ঠী’র সদস্য পরিচয় দিয়ে চিঠিতে ‘তালেবানের অধীনে বাংলাদেশে বিচার-আচার কোরআন সুন্না অনুযায়ী হবে’ ইত্যাদি কথা লিখেছে।

পুলিশ সুপার বলেন, একটি কুচক্রী মহল জনগণকে বিভ্রান্ত করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এ ঘটনা ঘটাতে পারে। বিচারকের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।

টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিনের বরাত দিয়ে পিপি এস আকবর খান গতকাল শুক্রবার বিকেলে জানান, হুমকির চিঠিটি বৃহস্পতিবার এসেছে। প্রেরকের স্থানে ‘জুবায়ের রহমান’ লেখা আছে। সে নিজেকে জঙ্গি সংগঠনের লোক পরিচয় দিয়ে বিচারকের উদ্দেশে বলেছে, তাঁর (বিচারক) অনেক রায়ে তাদের লোকজনের বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। প্রাণে বাঁচতে টাঙ্গাইল থেকে বদলি হয়ে যাওয়ারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে চিঠিতে।

যদিও এস আকবর খান বলেন, খালেদা ইয়াসমিন কোনো জঙ্গি মামলার রায় দেননি।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় বলেন, বিচারক খালেদা ইয়াসমিন বিষয়টি জানিয়েছেন। তাঁর ও তাঁর পরিবারের লোকজনদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ ছাড়া তাঁর আসা-যাওয়ার পথে এবং আদালত এলাকায় নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।



সাতদিনের সেরা