kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৯ ডিসেম্বর ২০২১। ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৩

কার্যকর অ্যান্টিবায়োটিক প্রাপ্তি নিশ্চিতে জোর প্রধানমন্ত্রীর

বিনিয়োগে অংশীদারির আহ্বান

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৫ আগস্ট, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কার্যকর অ্যান্টিবায়োটিক প্রাপ্তি নিশ্চিতে জোর প্রধানমন্ত্রীর

কার্যকর অ্যান্টিবায়োটিকস এবং অন্যান্য চিকিত্সা প্রযুক্তি ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) কার্যক্রমে সমতাভিত্তিক সুযোগ-সুবিধাপ্রাপ্তি নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ জন্য প্রযুক্তি বিনিময় এবং এসংক্রান্ত বিনিয়োগে অংশীদারির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।

এএমআরের ওপর গ্লোবাল লিডার্স গ্রুপের (জিএলজি) দ্বিতীয় বৈঠকে দেওয়া বক্তব্যে গতকাল মঙ্গলবার এ আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। অবশ্য তাঁর এই বক্তব্য আগে ধারণ করা।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আসুন, আমরা অর্থবহভাবে পরস্পরকে সহযোগিতা করি এবং প্রযুক্তি বিনিময় ও মালিকানায় অংশীদারির মাধ্যমে সবার জন্য সামর্থ্যের নাগালের মধ্যে কার্যকর অ্যান্টিবায়োটিকস ও অন্যান্য চিকিত্সা প্রযুক্তি প্রাপ্তি নিশ্চিতে একসঙ্গে কাজের গতি অব্যাহত রাখি।’

এ সময় তিনি অংশীদারির ভিত্তিতে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে বলেন, এএমআরের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সব খাতেই টেকসই পদক্ষেপ জরুরি। এ ব্যাপারে কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত হয়েছে দেখে তিনি সন্তুষ্ট বলে জানান।

জিএলজি কো-চেয়ার শেখ হাসিনা বলেন, ‘ওয়ান হেলথ প্রস্তাবের পাশাপাশি বহু খাতের ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যানে অর্থায়ন ও বাস্তবায়নে জন্য জিএলজির অগ্রাধিকারকে সমর্থন দিতে পেরেও আমি আনন্দিত।’

জিএলজির জন্য সমন্বিত যোগাযোগ কৌশল অনুমোদন করতে পেরেও তিনি আনন্দিত উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্র্রী বলেন, ‘বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে জিএলজি কর্মকাণ্ডের পরিচিতি তুলে ধরতে আমরা আমাদের অবদান রেখে যাব।’

এএমআরে সরাসরি টেকসই অর্থায়ন বাড়াতে জিএলজি কী করতে পারে, সে ব্যাপারে অন্যদের মতামত জানতে চেয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এএমআরের বোঝা লাঘবে এই খাতের সব পর্যায়ে অর্থায়ন অতি জরুরি। এ ছাড়া জাতীয় কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন, গবেষণা, উন্নয়ন এবং নতুন নতুন উদ্ভাবনে সবার সমান প্রাপ্তির লক্ষ্যে আমাদের পর্যাপ্ত তহবিল নিশ্চিত করতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘লক্ষ্য অর্জনে আমাদের রাজনৈতিক পদক্ষেপকে প্রাধান্য দিতে হবে।’

এএমআর নিশ্চিতে তাঁর সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স কনটেইনমেন্টের ওপর ষষ্ঠ বার্ষিকী (২০১৭-২২) ন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান ও ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান প্রণয়ন করেছে।

গ্রুপটির কো-চেয়ার হিসেবে সভার সভাপতিত্ব করার জন্য শেখ হাসিনা বার্বাডোজের প্রধানমন্ত্রী মিয়া আরমো মোটলেইয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। সূত্র : বাসস।



সাতদিনের সেরা