kalerkantho

শুক্রবার । ৭ মাঘ ১৪২৮। ২১ জানুয়ারি ২০২২। ১৭ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

যশোরে ৩৫ শতাংশের শরীরে অ্যান্টিবডি

যবিপ্রবি প্রতিনিধি   

৭ আগস্ট, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



যশোরে প্রায় ৩৫ শতাংশ মানুষের শরীরে করোনার অ্যান্টিবডি পাওয়া গেছে। তিন উপজেলার ছয়টি অঞ্চলের প্রায় ৪০০ মানুষের ওপর গবেষণা চালিয়ে এই তথ্য পেয়েছেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) জিনোম সেন্টারের গবেষকরা। তাঁরা বলছেন, তাদের কেউ টিকা নেয়নি। অর্থাৎ ৩৫ শতাংশ মানুষ কোনো না কোনোভাবে করোনার সংস্পর্শে এসেছিল।

বিজ্ঞাপন

গবেষকরা জানান, রক্তের নমুনা নিয়ে র‌্যাপিড অ্যান্টিবডি পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে এই গবেষণা চালানো হয়। করোনার ডেল্টা ধরনের ঊর্ধ্বগতির ফলে মানুষের শরীরে করোনা প্রতিরোধের প্রকৃত হার জানতেই এই গবেষণার উদ্যোগ নেয় যবিপ্রবি।

গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব পরিবারে আরটি-পিসিআর পরীক্ষার মাধ্যমে করোনা ‘পজিটিভ’ রোগী ছিল, সেসব পরিবারের ৩৮ শতাংশ সদস্যের অ্যান্টিবডি রয়েছে। আর করোনা ‘পজিটিভ’ রোগীর পাশের বাড়ি, যেখানে কোনো করোনা রোগী শনাক্ত হয়নি, সেসব বাড়িতে অ্যান্টিবডি রয়েছে ২৪ শতাংশের শরীরে। গ্রামের তুলনায় শহরে অ্যান্টিবডির হার কম। যারা করোনার টিকা নিয়েছে, তাদের এই গবেষণায় রাখা হয়নি।

গবেষকরা বলছেন, এই গবেষণা এটাই প্রমাণ করে যে চারপাশে করোনা উপসর্গহীন মানুষের সংখ্যা অনেক বেশি। অধিক জনসংখ্যা, মানুষের মাস্ক ব্যবহারের উদাসীনতাসহ স্বাস্থ্যবিধি না মানার জন্য করোনা পজিটিভ মানুষের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে।

যবিপ্রবির অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ও জিনোম সেন্টারের সহযোগী পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল কবীরের নেতৃত্বে পরিচালিত ‘অ্যান্টিবডি’ শনাক্তকরণের গবেষকদলের সদস্যরা হলেন পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. শিরিন নিগার, অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী পিপাসা সুলতানা, সুরাইয়া ইয়াসমিন, লক্ষ্মী সরকার এবং পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের শিক্ষার্থী নওশাদ মাহমুদ চয়ন।

 



সাতদিনের সেরা