kalerkantho

বুধবার । ৭ আশ্বিন ১৪২৮। ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৪ সফর ১৪৪৩

সিলেট-৩ নিয়ে হাইকোর্ট

৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্বাচন করা যাবে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৬ আগস্ট, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



জাতীয় সংসদের সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণে আদালতের আর নিষেধাজ্ঞা নেই। হাইকোর্ট বলেছেন, যেহেতুে ৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা আছে। আর সরকার লকডাউনও শিথিল করেছে। তাই নির্বাচন কমিশন (ইসি) আগামী ৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে যেকোনো সময় নির্বাচন সম্পন্ন করতে পারবেন।

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল বৃহস্পতিবার এ আদেশ দিয়েছেন। ভোটগ্রহণ স্থগিত চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের ছয়জন আইনজীবী এবং স্থানীয় সাতজন ভোটারের করা এক রিট আবেদন অকার্যকর ঘোষণা করে এ আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আদালতে রিট আবেদনকারীর পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন এবং ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সমরেন্দ্রনাথ বিশ্বাস ও বিপুল বাগমার।

গত ২৮ জুলাই সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু ওই সময় সারা দেশে সরকারঘোষিত কঠোর বিধি-নিষেধ থাকায় ওই রিট আবেদন করা হয়। ওই রিট আবেদনে হাইকোর্ট গত ২৬ জুলাই এক আদেশে ৫ আগস্ট পর্যন্ত ভোটগ্রহণের ওপর স্থগিতাদেশ দেন। হাইকোর্টের এই আদেশের পরপরই ওই দিনই ইসি ভোটগ্রহণ অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য স্থগিত করে আদেশ জারি করেন। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল সংশ্লিষ্ট হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানি হয়।  

সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ স্থগিত রাখতে সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ আইনজীবীর পক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে (সিইসি) ২৫ জুলাই আইনি নোটিশ দেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। ওই পাঁচ আইনজীবী হলেন অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ মুজাহিদুল ইসলাম, আল-রেজা মো. আমির, মো. জোবায়দুর রহমান, মো. জহিরুল ইসলাম এবং মুস্তাফিজুর রহমান। এরপর ওই পাঁচ আইনজীবী ও সিলেটের আরেক আইনজীবী মেজবাহ উদ্দিন এবং সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার নাগরিক সালেহ আহমেদ, সাবেক ওয়ার্ড কমিশনার শিপন আহমেদসহ সাতজন ভোটার ভোটগ্রহণ স্থগিতের নির্দেশনা চেয়ে ২৬ জুলাই হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন।

সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন গত ১১ মার্চ। এ কারণে ইসি ১৫ মার্চ এক বিজ্ঞপ্তিতে ওই আসন শূন্য ঘোষণা করে। সংবিধানের ১২৩(৪) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে অর্থাৎ ৮ জুনের মধ্যে ওই আসনের উপনির্বাচনে বাধ্যবাধকতা ছিল। কিন্তু করোনাভাইরাসের সংক্রমণকে দৈবদূর্বিপাক হিসেবে উল্লেখ করে সংবিধানের ক্ষমতাবলে আরো ৯০ দিন বাড়িয়ে নেয় ইসি। এরপর গত ২ জুন ওই উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। এই তফসিলে ১৪ জুলাই ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারণ করা হয়। পরবর্তী সময়ে ইসি ১৫ জুন পৃথক এক নোটিশে ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারণ করেছিল ২৮ জুলাই। কিন্তু এর আগেই হাইকোর্ট ভোটগ্রহণের ওপর স্থগিতাদেশ দিলে ইসিও ভোটগ্রহণ স্থগিত ঘোষণা করে।



সাতদিনের সেরা