kalerkantho

শুক্রবার । ৭ মাঘ ১৪২৮। ২১ জানুয়ারি ২০২২। ১৭ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে পল্লবী থানায় আরেকটি মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩ আগস্ট, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে পল্লবী থানায় আরেকটি মামলা

আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক উপকমিটির সদস্য পদ থেকে বহিষ্কৃত হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে রাজধানীর পল্লবী থানায় আরেকটি মামলা হয়েছে। গতকাল সোমবার এক সাংবাদিকের দায়ের করা এই মামলায় চাঁদাবাজি ও প্রতারণার অভিযোগ আনা হয়েছে।

পল্লবী থানার ওসি পারভেজ ইসলাম গতকাল বিকেলে কালের কণ্ঠকে জানান, হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে গতকাল দায়ের হওয়া মামলাটির বাদী আব্দুর রহমান তুহিন নামের এক সাংবাদিক। এ নিয়ে হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে পল্লবী থানায় দুটি মামলা হলো।

বিজ্ঞাপন

অনুমোদন ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া জয়যাত্রা টিভির সম্প্রচারের অভিযোগে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন আইনে র‌্যাব-৪-এর একজন উপপরিদর্শক (এসআই) গত শুক্রবার রাতে প্রথম মামলাটি দায়ের করেন। দুটি মামলার তদন্ত চলছে।

মামলায় সাংবাদিক তুহিন অভিযোগ করেন, জয়যাত্রা টেলিভিশনের ভোলা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার নামে টেলিভিশনটির চেয়ারম্যান হেলেনা জাহাঙ্গীর ও তাঁর সহযোগীরা তাঁর কাছ থেকে দেড় লাখ টাকা নিয়েছিলেন। তবে প্রতিনিধি হিসেবে তাঁকে ক্যামেরাসহ যেসব সুবিধা দেওয়ার কথা ছিল, তা দেওয়া হয়নি। উল্টো তাঁর কাছ থেকে প্রতি মাসে তিন হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছে। টাকা ফেরত চেয়ে বিভিন্ন সময়ে হেলেনা ও তাঁর সহযোগীদের ফোন করলেও তাঁরা টাকা না দিয়ে উল্টো হুমকি-ধমকি দেন।

সম্প্রতি ফেসবুকে ‘বাংলাদেশ আওয়ামী চাকরিজীবী লীগ’ নামের একটি সংগঠনের সভাপতি হিসেবে হেলেনা জাহাঙ্গীরের নাম আসায় তাঁকে আওয়ামী লীগ উপকমিটির পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এরপর গত বৃহস্পতিবার রাতে গুলশানের বাসা থেকে হেলেনা জাহাঙ্গীরকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। ওই সময় তাঁর বাসা থেকে বিদেশি মদ, ক্যাসিনো সরঞ্জাম, চাকু, ওয়াকিটকিসহ বিভিন্ন অবৈধ সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। এরপর ওই রাতেই মিরপুর ১১ নম্বরে জয়যাত্রা টেলিভিশনের কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অবৈধ সরঞ্জাম জব্দ করার দাবি করে র‌্যাব। এসব ঘটনায় র‌্যাব হেলেনার বিরুদ্ধে গুলশান ও পল্লবী থানায় মোট চারটি মামলা করেছে। গুলশান থানায় দায়ের হওয়া দুটি মামলার মধ্যে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখায় (ডিবি) স্থানান্তর করা হয়েছে। গত রবিবার বিকেলে গুলশান থানা থেকে মামলার তদন্তভার ডিবির স্পেশাল সাইবার ক্রাইম বিভাগে দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়। এরই মধ্যে তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগীদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।



সাতদিনের সেরা