kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৯ ডিসেম্বর ২০২১। ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৩

প্রতিবন্ধীসহ ধর্ষণের শিকার ৫

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৩ আগস্ট, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সাতক্ষীরা আশাশুনিতে পৃথক ঘটনায় এক বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরী ও এক স্কুলছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রতিবন্ধী গৃৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে নওগাঁর ধামইরহাটে। বগুড়ার শিবগঞ্জে এক গৃহবধূ ও গাজীপুরের কালীগঞ্জে এক মাদরাসাছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে খবর মেলেছে। বিস্তারিত কালের কণ্ঠ’র নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিদের খবরে—

সাতক্ষীরা : আশাশুনিতে নির্যাতনের শিকার বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীর (১৪) মা জানান, গত বুধবার সন্ধ্যায় নিজ গ্রামে মামাবাড়িতে যাচ্ছিল তাঁর মেয়ে। এ সময় একটি বাড়িতে নিয়ে তার ওপর নির্যাতন চালান এক যুবক। পরে ভুক্তভোগীকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এদিকে একই উপজেলায় এক স্কুলছাত্রী (১২) ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে দাবি করেছেন তার মা। তিনি জানান, গত শনিবার বিকেলে তাঁর মেয়ে এক শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট পড়ে বাড়ি ফিরছিল। এ সময় বৃষ্টি শুরু হলে কলিমাখালী খোলারাটি গ্রামের একটি দোকানের বারান্দায় আশ্রয় নেয় স্কুলছাত্রী। তখন দোকানের মধ্যে ডেকে নিয়ে ওই ছাত্রীর ওপর নির্যাতন চালায় দোকানি মোস্তাফিজুর। গুরুতর অবস্থায় ওই ছাত্রীকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আশাশুনি থানার ওসি গোলাম কবীর জানান, স্কুলছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে মোস্তাফিজুর নামের এক ব্যবসায়ীকে গতকাল ভোরে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর বাবা তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা করেছেন। আর প্রতিবন্ধী ধর্ষণের ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।

ধামইরহাট (নওগাঁ) : এক প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ এনে গত রবিবার রাতে নওগাঁর ধামইরহাট থানায় মামলা করেছেন তাঁর স্বামী। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত ২৫ জুলাই খেলনা ইউনিয়নের চকভবানী গ্রামে নিজ বাড়িতে স্ত্রী (৩০) ও বৃদ্ধ মাকে রেখে মাঠে কাজ করতে যান বাদী (৪৫)। পরে তাঁর মা বাড়ির অদূরে এক আত্মীয়র বাড়িতে বেড়াতে যান। এ সুযোগে একই গ্রামের আমিনুল ইসলাম (৪০) ওই বাড়িতে প্রবেশ করে প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণ করেন। পরে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা চালায় একটি পক্ষ।

বগুড়া : বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে বগুড়ার শিবগঞ্জ থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। এই মামলার আসামি সফিউল ইসলামকে গতকাল ভোরে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সফিউল কিচক ইউনিয়নের মাটিয়ান দক্ষিণপাড়া গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী নারীর চার বছর আগে বিয়ে হয়। তাঁর বিয়ের পর থেকেই সফিউল তাঁকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। এক পর্যায়ে সফিউল তাঁকে বিয়ের প্রস্তাবসহ জমি লিখে দেওয়ার প্রস্তাব দেন। এতে ওই নারী রাজি হয়ে যান। পরে সফিউলের কথা অনুযায়ী স্বামীকে ডিভোর্সও দেন ওই নারী। প্রেমের সম্পর্ক চলাকালে গত ১৯ ডিসেম্বর ওই নারীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন সফিউল।

গাজীপুর : কালীগঞ্জের আটলাব গ্রামে এক মাদরাসাছাত্রীকে (১৫) ধর্ষণের অভিযোগে গতকাল থানায় মামলা করা হয়েছে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী ছাত্রী স্থানীয় একটি মাদরাসার নবম শ্রেণির ছাত্রী। তার বাবা একজন দরিদ্র কৃষক। মাদরাসায় আসা-যাওয়ার পথে আগে থেকেই তাকে উত্ত্যক্ত করতেন আটলাব পূর্বপাড়া এলাকার আকবর ভূঁইয়ার ছেলে অনিক ভূঁইয়া (২১)। গত শুক্রবার বিকেলে বাড়ির পাশে একা পেয়ে ওই ছাত্রীর ওপর নির্যাতন চালান আসামি।



সাতদিনের সেরা