kalerkantho

রবিবার । ১ কার্তিক ১৪২৮। ১৭ অক্টোবর ২০২১। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

চট্টগ্রামের বেসরকারি মা ও শিশু হাসপাতাল

দুই দিন ধরে নিচতলায় কোমর পানি

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

৩০ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চট্টগ্রামে বেসরকারি হাসপাতালগুলোর মধ্যে অন্যতম প্রধান নগরের আগ্রাবাদের মা ও শিশু হাসপাতাল। বর্তমানে কভিড ও নন-কভিড মিলে ৮২২ শয্যার এই হাসপাতালের নিচতলা গত দুই দিন ধরে বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে ডুবে আছে। এতে রোগী ও তাদের স্বজনদের পাশাপাশি হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

অবশ্য প্রায় সাত বছর ধরে জলাবদ্ধতার শিকার হচ্ছে এই হাসপাতাল। ভারি, এমনকি হালকা, মাঝারি বৃষ্টি হলেও হাসপাতালটিতে পানি ঢুকে পড়ে। জোয়ারের পানিতেও তলিয়ে যায় হাসপাতালের নিচতলা। বিভিন্নভাবে উদ্যোগ নিয়ে নিচতলার মেঝে পাঁচ থেকে ছয় ফুট উঁচু করলেও জলাবদ্ধতার সমস্যা থেকে মুক্তি পাচ্ছে না হাসপাতালটি।

হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম আজাদ গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘সরকার চট্টগ্রাম নগরে পাঁচ হাজার ৬০০ কোটি টাকা ব্যয়ে চট্টগ্রাম সিডিএর অধীনে জলাবদ্ধতা নিরসনের মেগাপ্রকল্প গ্রহণ করে। এর কাজ চলমান আছে। আশা রাখছি এই মেগাপ্রকল্পের কাজ শেষ হলে আমরা সুফল পাব।’

বারবার পানিতে ডুবলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কী উদ্যোগ নিয়েছে জানতে চাইলে তিনি আরো বলেন, ‘আগ্রাবাদের এই এলাকায় প্রায় সময় পানি ওঠে। আমরা বৃষ্টি ও জোয়ারের পানি থেকে হাসপাতালে যাতে পানি না ঢুকে সে জন্য অন্তত ছয় ফুট উঁচু করলেও পানি ঢুকছে। হাঁটু থেকে কোমর পানির কারণে সবাই ভোগান্তিতে পড়েছে। আমরা পাম্প বসিয়ে হাসপাতালে ঢোকা পানি নিষ্কাশন করে যাচ্ছি।’

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ৬৫০ শয্যার নন-কভিডে গতকাল পর্যন্ত পাঁচ শতাধিক রোগী ভর্তি হয়েছে। এদিকে করোনা পরিস্থিতি শুরু হওয়ার পর থেকে শয্যা বাড়াতে বাড়াতে বর্তমানে ১৭২ শয্যা করা হয়েছে কভিডের জন্য। সব শয্যায় রোগী ভর্তি রয়েছে। এর মধ্যে ৩২টি আইসিইউ-এইচডিইউ রয়েছে।

জলাবদ্ধতার সমস্যার কারণে হাসপাতালের মূল ভবনের নিচতলার বিভিন্ন ওয়ার্ডের রোগী দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় স্থানান্তর করা হয়েছে। এর পাশেই ৮৫০ শয্যার নবনির্মিত ভবনের নিচতলায় প্রায় ২০টি আউটডোর বিভাগ স্থানান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে মূল ভবনের নিচতলায় চারটি বিভাগে আউটডোর কার্যক্রম চলছে।3



সাতদিনের সেরা