kalerkantho

সোমবার । ২ কার্তিক ১৪২৮। ১৮ অক্টোবর ২০২১। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে প্রায়ই অবৈধ নোঙর

এস এম রানা, চট্টগ্রাম   

২৯ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে নোঙর করার ক্ষেত্রে নিয়ম মানছে না লাইটার জাহাজগুলো। বন্দর কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অমান্য করে বহির্নোঙরে লাইটার জাহাজ নোঙর করার কারণে হরহামেশাই দুর্ঘটনা ঘটছে। কিছু লাইটার জাহাজ ডুবছে বহির্নোঙরে। আর কিছু লাইটার নোঙর করার পর জোয়ার ও ঘূর্ণিঝড়ে সাগর উত্তাল হলে নোঙর ছিঁড়ে বা নোঙর উঠে চলে আসছে তীরে।

লাইটার জাহাজডুবির কারণে বহির্নোঙরে চট্টগ্রাম বন্দরের পণ্যবাহী মাদারভেসেল চলাচলে বিঘ্ন ঘটেছে। আবার উপকূলে এসে ধাক্কা দেওয়ায় জাহাজগুলো ক্ষতি করছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন প্রকল্পের (সিডিএ) বাস্তবায়নাধীন দুই হাজার ৬০০ কোটি টাকার আউটার রিংরোড এবং পতেঙ্গা সৈকতের ঢেউ প্রতিরোধক ওয়ালের। এরই মধ্যে সিডিএ পতেঙ্গা এলাকায় পাঁচ কিলোমিটার ঢেউ প্রতিরোধক ওয়াল নির্মাণ করেছে।

সর্বশেষ গত মঙ্গলবার সকাল ১০ থেকে ১২টার মধ্যে এমভি আল ওয়াসল-১ এবং এমভি ওয়াই এস ৩ নামের দুটি লাইটার জাহাজ নোঙর ছিঁড়ে পতেঙ্গা সৈকতের ঢেউ প্রতিরোধক ওয়ালে এসে ধাক্কা লাগায়। আর দুপুরে পতেঙ্গা সৈকত থেকে ২.২ নটিক্যাল মাইল দূরে ডুবে যায় তেল সরবরাহকারী জাহাজ ‘এমটি সুফলা।’

মঙ্গলবার বিকেলে পতেঙ্গা সৈকতে গিয়ে দেখা গেছে, ওই দুটি লাইটার জাহাজের নাবিকরা জাহাজেই অবস্থান করছেন। ঢেউয়ের তোড়ে জাহাজগুলো এলোমেলোভাবে সৈকতের পাথরে আছড়ে পড়ছে। কখনো কখনো ঢেউ প্রতিরোধক ওয়ালে এসে ধাক্কা লাগছে। কখনো বা ৫-১০ ফুট সরে যাচ্ছে। দুটি জাহাজেরই নাবিকরা চেষ্টা করছিলেন ঢেউ প্রতিরোধক ওয়ালে ধাক্কা না লাগিয়ে জাহাজ দুটিকে সমুদ্রের দিকে নিয়ে যাওয়ার। কিন্তু সাগর উত্তাল থাকার কারণে নাবিকরা ব্যর্থ হন। এই সময় জাহাজ দুটি ক্রমাগতভাবে সৈকতের পাথরে ধাক্কা খাচ্ছিল। দুটি জাহাজের একটি মঙ্গলবার এবং অন্যটি গতকাল বুধবার সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়।



সাতদিনের সেরা