kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৫ কার্তিক ১৪২৮। ২১ অক্টোবর ২০২১। ১৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

কারাগারে বিয়ে করে জামিন

সেই দম্পতির খোঁজ নিলেন হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৭ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ধর্ষণের শিকার নারীকে কারাগারে বিয়ের পর কারামুক্তি পাওয়া ফেনীর সেই দম্পতির খোঁজ নিলেন হাইকোর্ট। আদালত সংশ্লিষ্ট আইনজীবীর কাছে জানতে চাইলেন, কেমন আছেন তাঁরা? জবাবে আইনজীবী বলেছেন, তাঁরা সুখে-শান্তিতে সংসার করছেন।

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বাধীন একক হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল সোমবার এ বিষয়ে খোঁজ নেন। আদালত সংশ্লিষ্ট আইনজীবীকে উদ্দেশ করে বলেন, ওই ঘটনা নিয়ে পত্রিকায় নানা রকমভাবে লেখালেখি হয়েছিল। তাঁদের দাম্পত্য জীবনটা কেমন হয়, এটার ওপর অনেক কিছুই নির্ভর করছে।

গত বছরের ২৭ মে ভোরে একই ঘরে অবস্থান করা অবস্থায় ফেনীর সোনাগাজীর দক্ষিণ-পশ্চিম চরদরবেশ গ্রামের জহিরুল ইসলাম ওরফে জিয়া উদ্দিন ও অভিযোগকারী মেয়েটিকে আটক করে গ্রামবাসী। স্থানীয়রা দুজনকে বিয়ে দিতে চাইলেও জিয়া ও তাঁর পিতা আবু সুফিয়ান মেম্বার রাজি হননি। এরপর সেদিনই মেয়েটি সোনাগাজী থানায় ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা করেন। পুলিশ ওই দিনই জিয়াকে গ্রেপ্তার করে। এরপর জিয়া ফেনীর আদালতে জামিনের আবেদন করলে তা খারিজ হয়ে যায়। এরপর বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে জামিনের আবেদন করেন জিয়া।

আবেদনে বলা হয়, জামিন পেলে তিনি মামলার বাদিনীকে বিয়ে করবেন। এই আবেদনের ওপর শুনানি শেষে আদালত কারাগারে বিয়ের আয়োজন করতে গত বছরের ১ নভেম্বর কারা কর্তৃপক্ষের প্রতি আদেশ দেন। আদেশে উভয় পক্ষ রাজি থাকলে বিয়ের আয়োজন করতে বলা হয়। ওই আদেশের পরই গত বছরের ১৯ নভেম্বর ফেনী জেলা কারাগারে তাঁদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। এরপর হাইকোর্টকে তা অবহিত করে ৩০ নভেম্বর জামিন পান জিয়া। আসামিপক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট ফারুক আলমগীর চৌধুরী।

ওই আইনজীবী অন্য এক মামলায় শুনানির জন্য গতকাল সোমবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের হাইকোর্ট বেঞ্চে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন। এ সময় আদালত তাঁর কাছে সেই দম্পতির খোঁজ নেন। জবাবে আইনজীবী ফারুক আলমগীর চৌধুরী বলেন, ‘আমি মাঝে মাঝেই ফোন করে তাঁদের খোঁজখবর নিয়ে থাকি। তাঁরা সুখে আছেন।’



সাতদিনের সেরা