kalerkantho

শনিবার । ৩ আশ্বিন ১৪২৮। ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১০ সফর ১৪৪৩

নৌপথের হালচাল

লকডাউন থাকা না থাকা একই

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৬ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



লকডাউন থাকা না থাকা একই

শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌপথে গতকালও ঢাকামুখী মানুষের ভিড় ছিল। বরাবরের মতো উপেক্ষিত ছিল স্বাস্থ্যবিধি। ছবি : কালের কণ্ঠ

‘কঠোর লকডাউন’ চললেও নৌপথে এর কোনো চিহ্ন নেই। শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌপথে গতকাল ঢাকামুখী মানুষের ভিড় ছিল আগের দিনের চেয়ে বেশি। কম ছিল না দক্ষিণাঞ্চলমুখী যাত্রীর চাপও। দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথের ফেরিগুলোয়ও যাত্রীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।

শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি জানান, গতকাল কঠোর লকডাউনের তৃতীয় দিনে বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌপথে ঢাকামুখী যাত্রীর চাপ বেড়েছে। তবে ফেরি চলাচল আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে।  ফলে গাদাগাদি করে পদ্মা পাড়ি দিতে হচ্ছে যাত্রীদের। স্বাস্থ্যবিধি মানার প্রবণতা খুব কম মানুষের মধ্যেই দেখা গেছে। এদিকে পদ্মায় স্রোতের গতি বাড়ায় ফেরি পারাপারে আগের চেয়ে বেশি সময় লাগছে। কয়েক গুণ বেশি ভাড়া গুনতে হচ্ছে যাত্রীদের।

গতকাল এই নৌপথে আটটি ফেরি চলাচল করেছে। বরিশাল থেকে ঢাকাগামী আল লতিফ মিয়া নামের এক যাত্রী বলেন, ‘ঈদে বাড়ি এসেছিলাম। এখন ঢাকা যাচ্ছি। বরিশাল থেকে মোটরসাইকেলে এক হাজার ১০০ টাকা দিয়ে বাংলাবাজার ঘাটে এসেছি। এখন ফেরিতে পদ্মা পাড়ি দিচ্ছি। জানি না আরো কত টাকা ভাড়া গুনতে হবে।’

খুলনা থেকে ঢাকাগামী বরকত হোসেন নামের এক যাত্রী বলেন, ‘জরুরি কাজে ঢাকা যেতে হচ্ছে, তাই যাচ্ছি। ইজি বাইক ও নসিমনে চড়ে ভেঙে ভেঙে খুলনা থেকে বাংলাবাজার ঘাটে এসেছি। ঘাট পর্যন্ত আসতেই এক হাজার ২০০ টাকা চলে গেছে।’

বিআইডাব্লিউটিসি বাংলাবাজার ঘাটের ব্যবস্থাপক মো. সালাউদ্দিন বলেন, ‘আটটি ফেরি চলছে। পদ্মায় তীব্র স্রোত থাকায় ফেরি পারাপারে সময় কিছুটা বেশি লাগছে।’

গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি জানান, কঠোর লকডাউনের বিধি-নিষেধ উপেক্ষা করে রাজধানী ছেড়ে অনেকেই গ্রামের বাড়ি ছুটছে। আবার গ্রামের বাড়ি ছেড়ে বহু মানুষ ফিরছে রাজধানীতে। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় রিকশা-ভ্যান, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনে করে মানুষ ভেঙে ভেঙে ফেরিঘাটে আসছে।

বিআইডাব্লিউটিসি দৌলতদিয়া কার্যালয়ের সহকারী ব্যবস্থাপক মো. খোরশেদ আলম বলেন, ‘কঠোর বিধি-নিষেধের কারণে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে ফেরি চলাচল সীমিত করা হয়েছে। বর্তমান এই নৌপথে ছোট-বড় সাতটি ফেরি চলাচল করছে।’



সাতদিনের সেরা