kalerkantho

রবিবার । ৪ আশ্বিন ১৪২৮। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১১ সফর ১৪৪৩

দৃষ্টিপ্রতিবন্ধিতা নিয়ে জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রস্তাব গৃহীত

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

২৫ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য বাংলাদেশের উত্থাপিত একটি প্রস্তাব জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে। গত শুক্রবার রাতে নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ‘ফ্রেন্ডস অব ভিশনে’র পক্ষে প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাবাব ফাতিমা।

উল্লেখ্য, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধিতা বিষয়ে এটিই জাতিসংঘে প্রথম প্রস্তাব। এতে প্রতিরোধযোগ্য অন্ধত্বের শিকার বিশ্বের ১১০ কোটি মানুষকে ২০৩০ সালের মধ্যে চক্ষু স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ করে দেওয়ার অঙ্গীকার করা হয়েছে।

নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন জানায়, সাধারণ পরিষদের সবাই বাংলাদেশের প্রস্তাবটিকে অনন্য হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। কারণ এই প্রথমবারের মতো সর্বোচ্চ বৈশ্বিক সংস্থা-জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সদস্য রাষ্ট্রগুলো প্রতিরোধযোগ্য অন্ধত্ব নিরাময়ে সর্বসম্মতভাবে একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হলো। বিভিন্ন পর্যায়ের দৃষ্টিপ্রতিবন্ধিতার শিকার বিশ্বের ২০০ কোটিরও বেশি মানুষের চক্ষু স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমে ব্যাপকভিত্তিক প্রবেশাধিকার নিশ্চিতে জাতিসংঘে অনানুষ্ঠানিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে দৃষ্টি বা ভিশনবিষয়ক এই ‘গ্রুপ অব ফ্রেন্ডস’। রেজল্যুশনটি উত্থাপনের সময় বাংলাদেশের সঙ্গে যোগ দেয় গ্রুপের অপর দুই সহসভাপতি ‘এন্টিগুয়া ও বারবাডোস’ এবং আয়ারল্যান্ড। এতে ১১৫টি দেশ সহপৃষ্ঠপোষকতা করে।

রাষ্ট্রদূত ফাতিমা প্রস্তাবটিকে বিশ্বের সব দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মানুষের জন্য উৎসর্গ করেন। ২০৩০ সালের মধ্যে সব জনগণকে চক্ষু স্বাস্থ্যসেবায় পূর্ণ প্রবেশের সুযোগ করে দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণের জন্য তিনি সব দেশের প্রতি আহবান জানান। প্রস্তাবটিতে সুদৃঢ় কিছু ‘ম্যান্ডেট’ বা বাধ্যবাধকতা রয়েছে এবং কোটি কোটি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মানুষের কাছে শক্তিশালী আশার বার্তা পৌঁছাতে পারবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

রাষ্ট্রদূত ফাতিমা বলেন, ‘এই প্রস্তাব চক্ষুসেবার বৈশ্বিক প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। প্রস্তাবটিতে নেতৃত্ব দিতে পেরে বাংলাদেশ সম্মানিত বোধ করছে।’