kalerkantho

রবিবার । ৪ আশ্বিন ১৪২৮। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১১ সফর ১৪৪৩

মাস্টারসহ কয়েকজনকে থানায় জিজ্ঞাসাবাদ

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি   

২৫ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পদ্মা সেতুর পিলারে ধাক্কা দেওয়া ফেরি শাহ জালালের মাস্টার অফিসার আবদুর রহমানসহ কয়েকজন কর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার সকালে মাদারীপুরের শিবচরের বাংলাবাজার ঘাট এলাকা থেকে আবদুর রহমানকে আটক করে শিবচর থানা পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

এ ছাড়া ফেরির সুকানি, ইঞ্জিন স্টাফসহ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন শিবচর থানার ওসি মিরাজ হোসেন। তিনি বলেন, তাঁদের আটক করা হয়নি। যেহেতু থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হয়েছে তাই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁদের থানায় নিয়ে আসা হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। গত শুক্রবার সকালে বাংলাবাজার ঘাট থেকে মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের শিমুলিয়া ঘাটে আসার সময় পদ্মা সেতুর ১৭ নম্বর পিলারের সঙ্গে ধাক্কা খায় রো রো ফেরি শাহ জালালের। এতে ফেরির ২০ যাত্রী ও কর্মী আহত হন। এই ঘটনায় ফেরির ইনচার্জ ইনল্যান্ড মাস্টার অফিসার আবদুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। গঠন করা হয় চার সদস্যের তদন্ত কমিটি।

চলতি মাসে তিন দফা সেতুর পিলারে ফেরির ধাক্কা লাগায় বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে ভাবিয়ে তুলেছে। গতকাল মন্ত্রিপরিষদসচিব ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

পুলিশ ও ঘাট সূত্র জানায়, পদ্মা সেতুর পিলারে ধাক্কা দেওয়ার ঘটনায় ফেরিটির ফিটনেস ছিল কি না, চালকের যথাযথ যোগ্যতা ও তাঁর শারীরিক সুস্থতার ঘাটতি বা কোনো অবহেলা ছিল কি না—এসব বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য শিবচর থানায় শুক্রবারই জিডি করা হয়। পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী (মূল সেতু) দেওয়ান মো. আব্দুল কাদের এই জিডি করেন।

নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান আব্দুল কাদের কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন, ফেরির ধাক্কায় সেতুর কোনো ক্ষতি হয়নি। কিন্তু বারবার ধাক্কা লাগাটা একটু অন্য রকম দেখাচ্ছে।

শিবচর থানার ওসি মিরাজ হোসেন বলেন, ‘থানায় জিডি হওয়ার পর আমরা বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছি।’

গতকাল মন্ত্রিপরিষদসচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি ১৬ ও ১৭ নম্বর পিলার পর্যবেক্ষণ শেষে পদ্মা সেতুর জাজিরা প্রান্তও পরিদর্শন করেন। তিনি সেতুর ওপরের কাজের অগ্রগতি দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন।