kalerkantho

শনিবার । ৩ আশ্বিন ১৪২৮। ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১০ সফর ১৪৪৩

শত্রু ট্যাংক ধ্বংসের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে বিজিবিকে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৪ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শত্রু মোকাবেলায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশে (বিজিবি) যুক্ত হয়েছে অ্যান্টিট্যাংক গাইডেড উইপন। এই অস্ত্র দিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সহজেই শত্রুপক্ষের ট্যাংক ধ্বংস করে দেওয়া সম্ভব। নতুন এই অস্ত্রের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে বিজিবি সদস্যদের। এ ছাড়া বিজিবিতে এয়ার উইং গঠনের পর সেটিকে কাজে লাগিয়ে বিজিবি সদস্যদের দেওয়া হয়েছে ‘রেপেলিং অ্যান্ড ফাস্ট রোপিং’ প্রশিক্ষণ। এই প্রশিক্ষণপ্রাপ্তির সুবাদে বিজিবি সদস্যরা দ্রুত সময়ে হেলিকপ্টারে উড়ে গিয়ে সীমান্তের দুর্গম স্থানে দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম হবেন। বিজিবির অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. হাসান উজ জামান এসব তথ্য জানিয়েছেন ।

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় বিজিবি ট্রেনিং সেন্টারে গত ১৭ জুলাই ৯৬তম রিক্রুট ব্যাচের মৌলিক প্রশিক্ষণ শেষে শপথ গ্রহণ ও কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। বিজিটিসিঅ্যান্ডসিতে ৭৮৪ জন রিক্রুট (৬৫৬ জন পুরুষ ও ১২৮ জন নারী) প্রশিক্ষণে অংশ নেন।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাসান উজ জামান পরের দিন ১৮ জুলাই ট্রেনিং সেন্টারে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের অবহিত করেন। তিনি বলেন, রূপকল্প ২০৪১-এর ওপর ভিত্তি করে সরকার ‘বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ভিশন-২০৪১’ গ্রহণ করেছে। এরই আলোকে বিজিবির কমান্ড স্তর বিকেন্দ্রীকরণের পাশাপাশি বিজিবির কলেবর বাড়ানো হচ্ছে। সীমান্ত রাস্তা তৈরি করা, নারী সৈনিক নিয়োগ, স্মার্ট ডিজিটাল বর্ডার সার্ভেইল্যান্স অ্যান্ড ট্যাকটিক্যাল বর্ডার রেসপন্স সিস্টেমের সাহায্যে আন্ত সীমান্ত অপরাধ দমনে বিজিবিতে এটিভি, এপিসি, আরভি, হাই স্পিডবোটের সঙ্গে অত্যাধুনিক অ্যান্টিট্যাংক গাইডেড উইপন সংযুক্ত করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, রাশিয়া থেকে কেনা দুটি এমআই ১৭১ অ্যাটাক হেলিকপ্টারসহ বিজিবির স্বতন্ত্র অপারেশনাল এয়ার উইং উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বিজিবিকে একটি পূর্ণাঙ্গ ত্রিমাত্রিক বাহিনী হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন।

হাসান উজ জামান আরো বলেন, বিজিবি মহাপরিচালকের নির্দেশে নবগঠিত এয়ার উইংয়ের সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে এ বছরই প্রথম হেলিকপ্টার থেকে রেপেলিং অ্যান্ড ফাস্ট রোপিং প্রশিক্ষণ পরিচালনা করা হয়েছে। এটা বিজিবির কুইক রিঅ্যাকশন ফোর্সকে সীমান্ত এলাকা, পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকাসহ যেকোনো স্থানে দ্রুত মোতায়েনের সক্ষমতা বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছে। 

বিজিবি জানায়, এই বাহিনী বর্তমানে ১৬টি সেক্টর, ৬১টি ব্যাটালিয়ন এবং বহুসংখ্যক বিওপির মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান প্রতিরোধ, নারী-শিশু ও মাদক পাচারসহ যেকোনো ধরনের সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে এই বাহিনী।