kalerkantho

রবিবার । ১ কার্তিক ১৪২৮। ১৭ অক্টোবর ২০২১। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

রূপপুর ‘বালিশ কাণ্ড’

সাতজনের জামিন বাতিল প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল

১১০টি ফ্ল্যাটের জন্য অস্বাভাবিক দামে আসবাব কেনায় ২০১৯ সালের ১২ ডিসেম্বর পাবনায় পৃথক চারটি মামলা করে দুদক

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২০ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে আবাসন প্রকল্পে দুর্নীতির মামলায় পাবনা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদুল আলমসহ সাতজনের জামিন বাতিল প্রশ্নে হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। সংশ্লিষ্টদের দুই সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। গতকাল সোমবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি এস এম মজিবুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রের ‘বালিশ কাণ্ডে’ পাবনার সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। তাঁদের মধ্যে বাকি ছয়জন হলেন উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আহমেদ সাজ্জাদ খান ও মোস্তফা কামাল, উপসহকারী প্রকৌশলী জাহিদুল কবীর, শফিকুল ইসলাম, সহকারী প্রকৌশলী মো. তারেক ও আমিনুল ইসলাম। তাঁদের বিরুদ্ধে করা পৃথক মামলায় গত জুনে জামিনের আদেশ দেন পাবনা আদালত। এ আদেশের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আবেদন করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে জামিন আদেশ কেন বাতিল করা হবে না জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। এ সময় দুদকের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক।

পাবনায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের গ্রিন সিটি প্রকল্পের ২০ ও ১৬ তলা ভবনের ১১০টি ফ্ল্যাটের জন্য অস্বাভাবিক দামে বালিশসহ আসবাবপত্র ও অন্যান্য সামগ্রী কেনায় ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগে ২০১৯ সালের ১২ ডিসেম্বর পাবনায় পৃথক চারটি মামলা করে দুদক। এ মামলায় গত ১৩, ১৫ ও ১৬ জুন পাবনার আদালত সাতজনকে জামিন দেন।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের গ্রিন সিটি প্রকল্পে দুর্নীতির বিষয়ে ২০১৯ সালের ১৬ মে পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রকল্পের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের থাকার জন্য গ্রিন সিটি আবাসনপল্লীতে ২০ তলাবিশিষ্ট ১১টি ও ১৬ তলাবিশিষ্ট আটটি ভবন হচ্ছে। এরই মধ্যে ২০ তলা আটটি ও ১৬ তলা একটি ভবন নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিটি ফ্ল্যাটের জন্য একটি বৈদ্যুতিক চুলার দাম ধরা হয়েছে সাত হাজার ৭৪৭ টাকা এবং তা ভবনে তুলতে খরচ ধরা হয়েছে ছয় হাজার ৬৫০ টাকা। একটি বালিশের দাম ধরা হয়েছে পাঁচ হাজার ৯৫৭ টাকা এবং তা ভবনে তুলতে খরচ ধরা হয়েছে ৭৩০ টাকা। একটি বৈদ্যুতিক কেটলির দাম পাঁচ হাজার ৩১৩ টাকা, যা তুলতে খরচ দেখানো হয়েছে দুই হাজার ৯৪৫ টাকা।



সাতদিনের সেরা