kalerkantho

রবিবার । ১০ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৫ জুলাই ২০২১। ১৪ জিলহজ ১৪৪২

১ আগস্ট খোলার প্রস্তুতি নিয়ে ছুটি পোশাক কারখানা

বিজিএমইএ সদস্য কারখানায় প্রায় শতভাগ মজুরি ও বোনাস পরিশোধ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২০ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



১ আগস্ট খোলার প্রস্তুতি নিয়ে ছুটি পোশাক কারখানা

ঈদের ছুটির পর তৈরি পোশাক কারখানা খোলা রাখা নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা না হলেও উদ্যোক্তাদের আশা আগামী ১ আগস্ট থেকে কারখানা চালু করার ব্যাপারে সরকার ইতিবাচক সিদ্ধান্ত জানাবে।

এদিকে করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়া সাপেক্ষে আগামী ১ আগস্ট থেকে শিল্প-কারখানা খোলার প্রস্তুতি রাখতে উদ্যোক্তাদের বার্তা দিয়েছেন বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান। ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেওয়া এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বার্তায় তিনি বলেন, ‘দেশে করোনা সংক্রমণ উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারি সর্বশেষ প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আগামী ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত দেশে সর্বাত্মক লকডাউন থাকবে। এ সময় আমরা সবাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদ উদযাপন করব এবং অপ্রয়োজনে বাইরে যাওয়া থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করব।’

বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, ‘করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি উন্নতি হওয়া সাপেক্ষে আগামী ১ আগস্ট থেকে শিল্প-কারখানা পরিচালনার প্রস্তুতি রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করছি। পরিস্থিতি বিবেচনায় এসংক্রান্ত করণীয় সম্পর্কে পরবর্তী নির্দেশনার মাধ্যমে জানানো হবে।’

এই বিষয়ে জানতে চাইলে বিজিএমইএর সহসভাপতি শহিদুল্লাহ আজিম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আপাতত ১ আগস্ট থেকে কারখানা পরিচালনার প্রস্তুতি রাখা হবে। এরপর সরকার যে সিদ্ধান্ত জানাবে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ঈদের ছুটির পর কারখানা খুলতে পারবেন কি না সেটা নিয়ে অনিশ্চয়তায় আছেন তৈরি পোশাক কারখানার মালিকরা। ঈদের পরপরই যে কঠোর বিধি-নিষেধ আরোপ হতে যাচ্ছে, পোশাক কারখানাকে এর বাইরে রাখার জন্য তাঁরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেছেন।

গত ১ জুলাই থেকে টানা দুই সপ্তাহ কঠোর লকডাউনের পর ঈদ উপলক্ষে বিধি-নিষেধ শিথিল করেছে সরকার। তবে ঈদের পর ২৩ জুলাই মধ্যরাত থেকে ১৪ দিন ফের কঠোর লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। এ সময় জরুরি সেবা ও পণ্যবাহী যানবাহন ছাড়া সব বন্ধ রাখার কথা বলা হয়েছে।

সরকারের এই সিদ্ধান্তের পর বস্ত্র খাতের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমএসহ পাঁচটি সংগঠন পোশাক খাতকে লকডাউনের বাইরে রাখতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেছে। গতকাল সোমবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সরকার এ ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত দেয়নি। মালিকদের দাবি অন্তত ৩১ জুলাইয়ের পর যেন কারখানা খোলা রাখার সুযোগ দেওয়া হয়।

প্রায় শতভাগ বেতন ও বোনাস পরিশোধ

বিজিএমইএ এক বার্তায় জানায়, ঈদুল আজহা উপলক্ষে বিজিএমইএ সদস্য এক হাজার ৯১২ কারখানার মধ্যে গতকাল পর্যন্ত এক হাজার ৯০৭টি কারখানা জুন মাসের মজুরি পরিশোধ করেছে প্রায় শতভাগ। বোনাসও দেওয়া হয়েছে ওই কারখানাগুলোয়। আর পাঁচটি কারখানার বেতন ও  বোনাস প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।



সাতদিনের সেরা