kalerkantho

শনিবার । ১২ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ২৭ নভেম্বর ২০২১। ২১ রবিউস সানি ১৪৪৩

বিয়ের কথা বলে সিলেটে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

অভিযুক্ত ৯ জনের মধ্যে গ্রেপ্তার ৪

সিলেট অফিস   

১৫ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মোবাইল ফোনে প্রেম এবং পরে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক গৃহবধূকে কিশোরগঞ্জ থেকে সিলেটে নিয়ে এসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ৯ জনের মধ্যে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অন্যরা পলাতক।

ওই নারীর অভিযোগ, তাঁকে সিলেটের একটি চা-বাগানের নির্জন স্থানে নিয়ে ৯ জনে ধর্ষণ করেন। গতকাল বুধবার এ অভিযোগে সিলেটের বিমানববন্দর থানায় মামলা করেছেন তিনি।

গ্রেপ্তার চারজন হলেন জামেদ আহমদ ওরফে জাবেদ (৩৬), মো. মোশাহিদ আহমদ (২৭), ফয়সল আহমদ (২২) ও রাসেল আহমদ (২৪)। জাবেদ সিলেট শহরতলির লাউগুল এলাকার মৃত হামিদ মিয়ার ছেলে।

সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) বি এম আশরাফ উল্যাহ তাহের জানান, কিশোরগঞ্জের ভৈরবের ওই নারীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে রং নম্বরে আলাপ হয় জাবেদের। এক পর্যায়ে তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। জাবেদ ওই গৃহবধূকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। বিয়ে হলে তিনি গৃহবধূর দুই সন্তানকে দেখাশোনা করার প্রতিশ্রুতিও দেন। তাঁর কথায় বিশ্বাস করে গত ১০ জুলাই সন্ধ্যায় সিলেট চলে আসেন গৃহবধূ। জাবেদ একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে গৃহবধূকে খাদিমনগর বড়জান চা-বাগানের মরাকোনা টিলার ওপর একটি ছাউনিতে নিয়ে যান। সেখানে আগে থেকেই ছিলেন ফয়সল আহমদ, রাসেল আহমদ, জামিল আহমদ নামের তিনজন। এই চারজন ভয় দেখিয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণ করেন। তিন দিন তাঁরা তাঁকে নির্যাতন করেন। এ সময় জাবেদ গৃহবধূর মোবাইল ফোনসহ ব্যাগে ভর্তি কাপড় ও দরকারি কাগজপত্র ছিনিয়ে নেন।

মামলার এজাহারে গৃহবধূ আরো অভিযোগ করেন, ১৩ জুলাই সকাল ৬টার দিকে রুবেল (২৫), ইমাম (২৫), ফারুক (২৩), মো. মোশাহিদ আহমদ (২৭) ও আবুল (২৬) নামের পাঁচ ব্যক্তি সেখানে যান। তখন জাবেদসহ অন্যরা ওই পাঁচজনের কাছে গৃহবধূকে দিয়ে চলে যান। এরপর ওই পাঁচজন তাঁকে নির্যাতন করেন।

মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে মোশাহিদকে পাহারায় রেখে অন্যরা বাইরে গেলে গৃহবধূ মোশাহিদকে অনেক কাকুতি-মিনতি করে পানি আনতে বলেন। পানি আনতে মোশাহিদ বাইরে গেলে তিনি পালিয়ে আসেন এবং এক ব্যক্তির সহযোগিতায় তাঁর খালাতো বোনকে ফোন করেন। বিকেলে তিনি বিমানবন্দর থানায় গিয়ে জানালে পুলিশ চারজনকে আটক করে।



সাতদিনের সেরা