kalerkantho

শনিবার । ১০ আশ্বিন ১৪২৮। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৭ সফর ১৪৪৩

নতুন মাদক ‘ম্যাজিক মাশরুম’ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৮ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দেশে নতুন নতুন মাদকের অনুপ্রবেশ ঘটে চলেছে। ধরা পড়ছে এসবে আসক্ত মাদকসেবীরাও। এলএসডি ও ডিএমটি নামের মাদকের পর এবার উদ্ধার হয়েছে ‘ম্যাজিক মাশরুম’ নামের মাদক। এই মাদক অন্য দুটির চেয়েও ভয়াবহ। এর সঙ্গে জড়িত থাকা নাগিব হাসান অর্নব ও তাইফুর রশিদ জাহিন নামে দুই তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। গত মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তারের সময় ওই মাদকের পাঁচটি বার উদ্ধার করা হয়েছে। এসব বারের প্রতিটিতে রয়েছে ২৪টি করে স্লাইস।

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে গতকাল বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানান র‌্যাবের মিডিয়া উইংয়ের প্রধান কমান্ডার খন্দকার আল মঈন। তিনি জানান, ম্যাজিক মাশরুম একটি সাইকেলেডিক (হ্যালোসিনোজেন) ড্রাগ। এই মাদক কেক ও চকোলেট মিশ্রিত অবস্থায় সেবন করা হয়। পাউডার ও ক্যাপসুল হিসেবেও পাওয়া যায় এই মাদক। এটি গ্রহণের পর সংশ্লিষ্ট মাদকসেবীর নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ থাকে না। এই মাদক গ্রহণে শারীরিক ক্ষতি ছাড়াও দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে মানসিক রোগ দেখা দিতে পারে।

খন্দকার আল মঈন জানান, গ্রেপ্তার হওয়া জাহিন প্রথমে গাঁজা ও মদপানে আসক্ত ছিল। এরপর সে ২০১৯ সালে ক্রমান্বয়ে এলএসডি, ডিএমটিসহ বিভিন্ন ধরনের সাইকেডেলিক ড্রাগ সেবন ও বিক্রি শুরু করে। সাইকেডেলিক ড্রাগ সম্পর্কে আগ্রহ থেকে সে ইন্টারনেটে এই ড্রাগের ওপর অনুসন্ধান শুরু করে। এভাবে সে ম্যাজিক মাশরুম সম্পর্কে জানতে পারে।

জাহিন ডার্ক সাইটে ম্যাজিক মাশরুমের খোঁজ পাওয়ার পর কানাডায় অবস্থান করা বাল্যবন্ধু অর্নবকে ম্যাজিক মাশরুম বাংলাদেশে নিয়ে আসার অনুরোধ জানায়। অর্থের লোভে পড়ে অর্নব সে প্রস্তাবে রাজি হয়। গত মে মাসে নাগিব হাসান ম্যাজিক মাশরুমের একটি চালান বাংলাদেশে নিয়ে আসে। পরে দুজনে সেগুলো বিভিন্ন স্থানে বিক্রি শুরু করে। তারা একেকটি বার ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করছিল।

খন্দকার আল মঈন আরো জানান, বিট কয়েন পেপলসহ অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে মাদক কারবারের অর্থ লেনদেন হচ্ছে। কখনো কারবারি নিজেই চকোলেটের আড়ালে নিয়ে আসছে এই ‘ম্যাজিক মাশরুম’। বিভিন্ন যাত্রীর লাগেজের মাধ্যমেও এই মাদক দেশে আনা হচ্ছে।



সাতদিনের সেরা