kalerkantho

রবিবার । ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৫ ডিসেম্বর ২০২১। ২৯ রবিউস সানি ১৪৪৩

সালিসে গিয়ে বিয়ে

সেই চেয়ারম্যানের বরখাস্ত আদেশ হাইকোর্টে স্থগিত

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৮ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সালিস করতে গিয়ে নিজেই এক কিশোরীকে বিয়ে করে আলোচনায় আসা পটুয়াখালীর বাউফলের কনকদিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহীন হাওলাদারকে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। ৩০ দিন অথবা নিয়মিত আদালত খোলা পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে।

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল বুধবার এই আদেশ দেন। ওই ইউপি চেয়ারম্যানের করা এক রিট আবেদনে এ আদেশ দেওয়া হয়েছে। আদালতে রিট আবেদনকারীর পক্ষে আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ, অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন ও ব্যারিস্টার মাহবুব শফিক। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

আদালত বলেন, একজন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান তাঁর ইউনিয়নের জনগণের জিম্মাদার। সেখানে নিজেই সালিস ডেকে বিয়ে করে ফেললেন। এটা কি একজন জনপ্রতিনিধির কাজ? এ ধরনের লোক যদি জনপ্রতিনিধি হন তবে জনমনে কী ধারণার সৃষ্টি হয়? নৈতিকতার বিবেচনায় এ ধরনের লোকের চেয়ারম্যান পদে থাকা উচিত কি না, তা ভেবে দেখা দরকার। অপ্রাপ্তবয়স্ক এক কিশোরীকে বিয়ে করার অভিযোগ ওঠার পর গত ২৮ জুন ওই চেয়ারম্যানকে সাময়িক বরখাস্ত করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে তাঁকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়।

হাইকোর্টের অন্য একটি বেঞ্চ গত ২৭ জুন এক আদেশে সালিসে বিয়ে করে ওই ইউপি চেয়ারম্যান কোনো ফৌজদারি অপরাধ করেছেন কি না, তা পিবিআইকে তদন্ত করার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে ওই চেয়ারম্যান ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন কি না, তা জেলা প্রশাসককে তদন্ত করতে বলা হয়। এ ছাড়া বিয়ে নিবন্ধনের ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না, তা তদন্ত করতে জেলা নিবন্ধককে নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি ওই কিশোরীকে নিরাপত্তা দিতে পটুয়াখালীর এসপিকে নির্দেশ দেওয়া হয়।



সাতদিনের সেরা