kalerkantho

শনিবার । ১২ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ২৭ নভেম্বর ২০২১। ২১ রবিউস সানি ১৪৪৩

মগবাজারে বিস্ফোরণ

ধ্বংসস্তূপ থেকে মিথেন গ্যাস বের হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৫ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভয়াবহ বিস্ফোরণের আট দিন পরও রাজধানীর মগবাজারে রাখি নীড় নামের ভবনটি ঘিরে আতঙ্ক কাটেনি। ক্ষতিগ্রস্ত ভবনটি যেকোনো সময় ধসে পড়তে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করেছে ফায়ার সার্ভিস। এ অবস্থায় গতকাল রবিবার ধ্বংসস্তূপের ভেতরের সরবরাহ লাইন থেকে মিথেন গ্যাস বের হওয়ার খবর পেয়ে নতুন আতঙ্ক শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অনুসন্ধান শুরু করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।

ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক (প্রশাসন) দেবাশীষ বর্ধন গতকাল কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘সকালে পুলিশ সদস্যরা গ্যাস বের হওয়ার খবর জানালে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই। ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের ভেতরে একটি গ্যাসলাইনের অস্তিত্ব পাওয়া যায়।’

তিতাস গ্যাসের ম্যানেজার (দক্ষিণ) মো. সাবিল বলেন, ওই ভবন থেকে গ্যাস বের হওয়ার খবর পেয়ে আমাদের একটি টিম সেখানে গিয়ে গ্যাস লিকেজ বন্ধের ব্যবস্থা করে। তবে সেখানে কোনো গ্যাসলাইন থাকার কথা নয়। যে লাইনটি ওই ভবনে পাওয়া গেছে, সেটা কোথায় গেছে, কারা ব্যবহার করত সেসব খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।

ওই ভবনের পাশে একটি গ্যাসলাইনের ‘রাইজার’ পাওয়া গেছে, যেটি পাশের আরেকটি ভবনের। সেটিরও তদন্ত চলছে। ওই ভবনে তাদের কাজের জন্য আশপাশের বাড়ির গ্যাস সংযোগ বন্ধ করা হয়নি।

বিস্ফোরক অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা এর আগে গত সোমবার ধ্বংসস্তূপের বাতাস পরীক্ষা করে হাইড্রোকার্বনের অস্তিত্ব পাওয়ার কথা জানান। তবে কেন, কিভাবে ওই বিস্ফোরণ ঘটল সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিতভাবে কিছু কেউ বলেননি।

এদিকে মগবাজারের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে রমনা থানায় যে মামলা করেছে সেটি গত শনিবার থেকে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়েছে। এর আগে সিটিটিসির প্রধান ডিআইজি মো. আসাদুজ্জামানকে প্রধান ও সংস্থাটির এডিসি রহমত উল্লাহ চৌধুরীকে সদস্যসচিব করে এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। পৃথকভাবে ওই ঘটনার তদন্ত করছে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের একটি কমিটি।



সাতদিনের সেরা