kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৬ মাঘ ১৪২৮। ২০ জানুয়ারি ২০২২। ১৬ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

আইসোলেশন ওয়ার্ড ফাঁকা হবিগঞ্জে

নেই আইসিইউ বেড

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি   

৫ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হবিগঞ্জ জেলায় ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালে ১০০ শয্যার করোনা আইসোলেশন ওয়ার্ডের বেশির ভাগই ফাঁকা থাকছে। করোনাভাইরাস মহামারি প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ার এই সময়েও এ চিত্র দেখা গেছে জেলার সবচেয়ে বড় এই হাসপাতালে।  

রোগীরা বলছে, এখানে করোনা আক্রান্ত হলে রেফার করার প্রবণতা বেশি। এখানকার চিকিৎসাব্যবস্থা অপ্রতুল। রয়েছে অক্সিজেনসংকট। সাধারণ রোগীরা নিজ বাসায় আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছে। এসব কারণে এখানকার আইসোলেশন ফাঁকা থাকছে। অথচ হাওর এলাকার পার্শ্ববর্তী কয়েকটি জেলার রোগীরাও এই হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসে।

গত শনিবার দুপুরে হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে ভর্তি আছে মাত্র ১৬ জন রোগী। এর মধ্যে আগের রোগী ছিল ১৫ জন। গত শনিবার ভর্তি হয় মাত্র একজন। কর্তব্যরত নার্সদের মধ্যে তিনজন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এঁদের মধ্যে দুজন বাসায় এবং অন্যজন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. আব্দুল মুমিন নিজেও করোনা আক্রান্ত।

হাসপাতালে আসা রুবেল নামের এক রোগী জানান, হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ড ষষ্ঠ তলায়। আর পঞ্চম তলায় অবস্থিত শিশু ওয়ার্ড। লিফট না থাকায় একই রাস্তা দিয়ে সবাইকে চলাচল করতে হয়। এতে ঝুঁকি বাড়ছে। 

নুরুল হক কবির নামের এক ব্যক্তির অভিযোগ, আইসোলেশন ওয়ার্ডে সিলিন্ডার ভাগাভাগি করে অক্সিজেন দেওয়া হয়। নার্সরা অক্সিজেন লাগিয়ে না দিয়ে রোগীদেরই লাগিয়ে নিতে  বলেন। যেখানে করোনাভাইরাসের নমুনা দেওয়া হয় সেখানেই বহির্বিভাগ ও ওষুধ কাউন্টার।

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হেলাল উদ্দিন জানান, হাসপাতালটি  ২৫০ শয্যার হলেও লোকবল রয়েছে ১০০ শয্যার। করোনা বিশেষায়িত ওয়ার্ডের জন্য ২১ জন ডাক্তার, ১৮ জন নার্স ও ২৫ জন স্টাফ দায়িত্ব পালনের কথা। কিন্তু তাঁদের অন্য দায়িত্বও পালন করতে হয়। দুটি ভেন্টিলেটর থাকলেও এখানে কোনো আইসিইউ বেড নেই। তাই বাধ্য হয়ে গুরুতর রোগীদের রেফার করতে হয়। তবে তিনি দাবি করেন, অক্সিজেনের কোনো সংকট নেই।



সাতদিনের সেরা