kalerkantho

রবিবার । ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৫ ডিসেম্বর ২০২১। ২৯ রবিউস সানি ১৪৪৩

‘ভারত থেকে আসা কয়লা কার্পেটিংয়ের জন্য’

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৪ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাগেরহাটের রামপালে নির্মাণাধীন তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য ভারত থেকে যে কয়লা আসছে, তা জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হবে না বলে জানিয়েছে এই কেন্দ্রের কর্তৃপক্ষ। এই তিন হাজার ৮০০ টন কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণাধীন চারটি কয়লা মজুদাগারের মধ্যে একটির মেঝেতে ঢালাইয়ের জন্য ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী বিদ্যুৎ কম্পানি লিমিটেড (বিআইএফপিসিএল)।

ভারতের প্রভাবশালী দৈনিক দ্য হিন্দু ‘এই কয়লা বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য পাঠানো হচ্ছে’ এমন খবর ছাপালে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়। এই পরিস্থিতিতে বিআইএফপিসিএল বিষয়টি পরিষ্কার করেছে।

গতকাল শনিবার বিআইএফপিসিএলের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কলকাতা থেকে যে কয়লা আনা হচ্ছে, তা শুধু ‘কোল স্টকইয়ার্ড’ ফ্লোরে ব্যবহার করা হবে। এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি হিসেবে কখনোই ভারত থেকে কয়লা আনা হবে না।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মৈত্রী বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম কভার্ড কোল-শেডের নির্মাণকাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। ভারত থেকে আমদানি করা কয়লা এ শেডের কার্পেট হিসেবে ব্যবহার করা হবে। এই বিদ্যুৎকেন্দ্রে এ ধরনের চারটি কভার্ড কোল-শেড নির্মাণাধীন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রাথমিক জ্বালানি হিসেবে কয়লা ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া অথবা দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে আমদানি করা হবে। এরই মধ্যে সে জন্য আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে, যে প্রক্রিয়া অচিরেই সম্পন্ন হবে।

ভারতের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে রামপালে এক হাজার ৩০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার এই বিদ্যুৎকেন্দ্র বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের পরিবেশ ও প্রতিবেশের জন্য হুমকি তৈরি করবে বলে পরিবেশবাদীরা সতর্ক করে আসছে।

তবে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, সুন্দরবন রক্ষায় সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মিত হচ্ছে, যাতে পরিবেশের ক্ষতি ন্যূনতম মাত্রায় রাখা হবে।

২০০ কোটি ডলারের এই বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে ১৬০ কোটি ডলার ঋণ দিয়েছে ভারতের এক্সিম ব্যাংক। দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত কম্পানি ভারত হেভি ইলেকট্রিক্যালস (বিএইচইএল) এ নির্মাণকাজ করছে।



সাতদিনের সেরা